তিন স্থানে চার বাল্যবিয়ে বন্ধ

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

নাটোরের বড়াইগ্রাম, ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও বরগুনার বেতাগীতে চারটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

বড়াইগ্রাম (নাটোর) :বড়াইগ্রামে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ইউএনও আনোয়ার পারভেজ অভিযান চালিয়ে স্কুলছাত্রী লিপি খাতুন (১৪) ও কলেজছাত্রী মাহমুদা নাসরিন মিনার (১৬) বিয়ে বন্ধ করেন। লিপি উপজেলার জোয়াড়ী ইউনিয়নের কুমরুল উত্তরপাড়া এলাকার লিয়াকত আলীর মেয়ে এবং বনপাড়া বেগম রোকেয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। অন্যদিকে, মিনা উপজেলার মাঝগাঁও ইউনিয়নের মাঝগাঁও গ্রামের মজিবুর রহমানের মেয়ে এবং বনপাড়া শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।

বোয়ালমারী (ফরিদপুর) :বোয়ালমারী উপজেলার চতুল উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাকিলা বিনতে মতিন। বাল্যবিয়ে আয়োজন করার অপরাধে কনের বাবার কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শাকিলা বিনতে মতিন বলেন, পৌরসভার কুশাডাঙ্গা এলাকার ওই ছাত্রীর বাবার বাড়িতে বুধবার বিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে বিয়ে বন্ধ, মুচলেকা ও জরিমানা আদায় এবং পাত্রপক্ষকে বিয়ে করতে না আসার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বেতাগী (বরগুনা) :বেতাগীতে স্কুলছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছেন ইউএনও। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কনের বাবাকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কেওরাবুরিয়া গ্রামের দুলাল হাওলাদারের মেয়ে ও সবুজকানন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ফাতিমা বেগমের (১৫) বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। খবর পেয়ে ইউএনও মো. রাজীব আহসান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ে ভেঙে দেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কনের বাবা দুলালকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় ফাতিমার বিয়ের বয়স না হওয়া পর্যন্ত তাকে বিয়ে দেবেন না বলে দুলাল অঙ্গীকার করেন।