মদন ও নান্দাইলে পৃথক সংঘর্ষে আহত ২৫

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০১৯      

মদন (নেত্রকোনা) ও নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ঈদুল আজহার কোরবানি শেষে উপজেলার বাজিতপুর গ্রামে জমি-সংক্রান্ত রিরোধকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ইদ্রিস মিয়া ও বাচ্চু মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত সবুজ মিয়া, ওয়াসিম, মানিক মিয়া, মজিদা আক্তার, উজ্জ্বল, বর্ষা আক্তার, আল-আমিন, আঁখি, সাইকুল ইসলাম, আতিকুল, এন্টাস মিয়া, তপন মিয়া ও লাই মিয়াকে মদন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসি (তদন্ত) স্বপন চন্দ্র সরকার জানান, জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে বাজিতপুর গ্রামে ঈদের দিন এক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে এ পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি।

এদিকে নান্দাইল উপজেলায় গতকাল সকালে সদ্য রোপিত ধানের জমি দিয়ে পাওয়ার ট্রিলার (কলের লাঙল) নেওয়াকে কেন্দ্র করে দু-দফা সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় হামলাকারীরা আহতদের বাড়িঘরও ভাংচুর করেছে। গুরুতর আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যরা নান্দাইল উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের রুহুল আমিন পাওয়ার ট্রিলার দিয়ে ভাড়ায় মানুষের জমি চাষ করেন। রোববার রুহুল আমিন অনুমতি না নিয়ে সুমন মিয়ার সদ্য ধানের চারা রোপণ করা জমি ওপর দিয়ে পাওয়ার ট্রিলার নিয়ে পাশের তৈয়ব আলীর পতিত জমি চাষ করতে যায়। ফিরে আসার পথে সুমন মিয়া রুহুল আমিনকে আটক করে জমি নষ্ট করে মেশিন নেওয়ার কারণ জানতে চান। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রুহুল আমিনের ছেলে রানা মিয়া জমির মালিক সুমন মিয়াকে মারধর করে। পরের দিন এ ঘটনা নিয়ে মারামারিতে আহত হন সুমনের পক্ষের জুনাইদ বাবুল সেলিম ও শাহজাহান। আহতদের মধ্যে সেলিম ছাড়া অন্যরা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনার জেরে বুধবার সকালে প্রতিপক্ষ সুমন মিয়ার লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে অতর্কিতে রুহুল আমিন ও তার পক্ষের লোকজনের বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা এ সময় বাড়িঘর ভাংচুর করার পাশাপাশি মারধর করে পাঁচজনকে আহত করে। আহতরা হচ্ছেন- মোস্তফা, মোসলেম উদ্দিন, জাকির হোসেন, তমিজ উদ্দিন ও রাজিয়া বেগম। গুরুতর আহত রাজিয়াকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা নান্দাইল উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহত মোস্তফা বলেন, বিষয়টি মীমাংসার জন্য এলাকাবাসী উদ্যোগ নেওয়ার পরও তারা এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়।