ঘোড়াশালে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নির্মাণ

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০১৯

পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি

পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের খুঁটি ভেতরে রেখেই ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এই ভবন নির্মাণ করা হয়েছে পৌর এলাকার উত্তর চরপাড়া গ্রামে। শফিকুল ইসলাম নামে এক  প্রবাসী ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের খুঁটি ভেতরে রেখেই ভবনটি নির্মাণ করেন।

ভবনের ভেতরেই ১১ হাজার ভোল্টের লাইনসহ বিদ্যুতের খুঁটি। এই খুঁটি বিদ্যুতের মেইন লাইনসহ ভবনের ভেতরে ঢুকে আছে। এতে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। প্রায় আট বছর আগে তিনি এই ভবনটি নির্মাণ করেন। ভবন নির্মাণের কোনো নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই বিদ্যুতের খুঁটি ভেতরে রেখেই ভবনটি নির্মাণ করেন শফিকুল ইসলাম। বর্তমানে দ্বিতল ভবনটিতে ঝুঁকি নিয়ে ভবনের মালিকসহ আটটি পরিবার বসবাস করছে। ভবনটির ছাদের মাত্র তিন ফুট ওপর দিয়ে ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুতের লাইন রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, নির্মাণের সময় ভবন মালিককে নিষেধ করলেও তারা তা শোনেননি। তা ছাড়া বিদ্যুৎ অফিস থেকেও কেউ ভবন নির্মাণে বাধা দিতে আসেনি।

এ বিষয়ে ভবনের মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, ভবনটি নির্মাণের সময় ঘোড়াশাল পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসে খুঁটি সরানোর জন্য একাধিকবার আবেদন করলেও তারা কোনো কর্ণপাত করেনি। একপর্যায়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ভবনটি নির্মাণ করতে বাধ্য হয়েছি। পৌরসভা থেকে ভবনের প্ল্যান অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি জানান, পৌরসভার প্রকৌশলী  সরেজমিনে এসে দেখেশুনে প্ল্যান অনুমোদন দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ঘোড়াশাল পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী শাহাদাত হোসেন বলেন, তিনি এক বছর আগে এ পৌরসভায় যোগদান করেন। তাই এ বিষয়টি তার জানা নেই। তবে তিনি বলেন, কোনো ভবনের প্ল্যান অনুমোদন হওয়ার আগে ভবনের আশপাশে কোনো বিদ্যুতের খুঁটি বা রাস্তার পর্যাপ্ত জায়গা ঠিক রেখে প্ল্যান অনুমোদন দেওয়া হয়। এখানে সেই নিয়ম দেখা হয়েছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

পল্লী বিদ্যুৎ ঘোড়াশাল জোনাল অফিসের ডিজিএম শাহাদাত হোসেন জানান, ওই ভবনটি নির্মাণের আগে থেকেই সেখানে বিদ্যুতের খুঁটি ছিল। ভবন নির্মাণের সময় মালিকপক্ষকে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে নির্দিষ্ট  দূরত্ব রেখে ভবন নির্মাণ করার জন্য হয়েছে।