ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনা তদন্তে দুই কমিটি

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৯      

ফরিদপুর অফিস

ফরিদপুরের ধুলদীতে শনিবার মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আটজন নিহতের ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর একটির নেতৃত্বে রয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসলাম মোল্লা এবং অন্যটিতে রয়েছেন হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম। তাদের আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে দুর্ঘটনার কারণ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি এফ এম নাছিম জানান, শনিবার সড়ক দুর্ঘটনার পরেই রাতে ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপসহকারী পরিদর্শক সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। এ দুর্ঘটনা তদন্তে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসলাম মোল্লাকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল ও সড়ক বিভাগের প্রতিনিধি এবং বিআরটিএর প্রতিনিধি। অন্যদিকে ফরিদপুর হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হচ্ছেন হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার কে এম আবদুল্লাহ ও আল্লাহদীপুর থানার ওসি মাসুদ পারভেজ।

এদিকে, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আটজনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন- কমফোর্ট লাইন বাসের সুপারভাইজার গোপালগঞ্জ সদরের হানিফ শেখ, বাসযাত্রী গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার কাঠি গ্রামের ফারুক মোল্লা, আসমা বেগম, নড়াইল জেলার বনগ্রাম কালিয়া গ্রামের মো. আলী খন্দকার, একই গ্রামের কেয়া আক্তার, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শিবপুর গ্রামের মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, গোপালগঞ্জ সদরের ডলি আক্তার এবং মোটরসাইকেল চালক ফরিদপুর সদর উপজেলার বিলমামুদপুর গ্রামের ওয়াহিদুজ্জামান সাগর। দুর্ঘটনায় আহত ২০ জনের মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকিরা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। শনিবার ফরিদপুরের ধুলদীতে ব্রিজের রেলিং ভেঙে কমফোর্ট লাইনের একটি বাস খাদে পড়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত হন আটজন এবং আহত হন ২০ জন।