টাঙ্গাইলে ২১ দিনেও উদ্ধার হয়নি লাশ

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৯      

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

কালিহাতীতে পাওনা টাকা চাওয়ায় পরকীয়ায় জড়িত মোশারফ মিয়া নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার ২১ দিন অতিবাহিত হলেও লাশ উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। নিহত যুবক ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের মাইদারচালা নয়াবাড়ি গ্রামের সেকান্দর আলীর ছেলে।

খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই গ্রামের সৌদি প্রবাসী ইসমাঈল হোসেনের স্ত্রী নাছিমা ও তার ভাবি সোনিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামি নাছিমার ভাই কালিহাতীর ভিয়াইল মাদ্রাসার শিক্ষক আকতার হোসেন পলাতক। আকতার হোসেন উপজেলার বীরবাসিন্দা গ্রামের মেছের আলী মণ্ডলের ছেলে।

৪ আগস্ট কদমতলী গরুর হাট থেকে ফেরার পর রাত ৯টায় নিখোঁজ হন মোশারফ মিয়া। পরদিন তার ছোটভাই সজীব ঘাটাইল থানায় নিখোঁজের ব্যাপারে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। মোশারফের মোবাইল ফোনের কললিস্টের সূত্র ধরে প্রতিবেশী নাছিমাকে ১৬ আগস্ট রাতে আটক করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে মোশারফকে হত্যা ও তার সঙ্গে পরকীয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নাছিমা। পুলিশকে জানায়, ৪ আগস্ট রাতে মোশারফকে ডেকে নিয়ে সে ও তার ভাই আকতার মিলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করে। ১৭ আগস্ট এ ব্যাপারে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় নাছিমা। এদিকে, নাছিমার ভাবি আকতারের স্ত্রী সোনিয়াকেও আটক করেছে পুলিশ।

মামলার বাদী নিহত মোশারফের ভাই সজীব মিয়া বলেন, ২০১২ সাল থেকে মোশারফ সৌদিতে ছিলেন। তিনি বিদেশ থেকে বেশিরভাগ টাকা-পয়সা নাছিমার নামে পাঠিয়েছেন। এবার দেশে ফিরে টাকা ফেরত চাইলে নাছিমা ও তার ভাই মিলে পরিকল্পিতভাবে তাকে খুন করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, মোশারফ মিয়াকে হত্যা করে কালিহাতীর গজারিয়া বিলে লাশ গুম করা হয়।