নেত্রকোনায় গণধর্ষণ মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার হয়নি

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০১৯      

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

ঈদের ছুটিতে বেড়াতে এসে সদর উপজেলার চল্লিশা ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুরে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূর দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিসহ তিন আসামিকে ষোলো দিন পেরিয়ে গেলেও রোববার পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তারা হলো মামলার প্রধান আসামি রাজেন্দ্রপুর এলাকার এনামুল হক সম্রাট, মো. জিহান ও মো. রাসেল।

ভালুকা উপজেলার সিড স্টোর এলাকার এক দম্পতি গত ৯ আগস্ট ঈদুল আজহার ছুটিতে জেলার কলমাকান্দায় ফুফুর বাড়ি বেড়াতে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুরে বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় ওই দম্পতি বাস থেকে নামেন। সেখানে ফাস্ট ফুডের দোকান সারিন্দায় গৃহবধূ টয়লেট ব্যবহার করতে যান। এ সময় রেস্তোরাঁর সামনে বসে থাকা কয়েক যুবক ওই দম্পতিকে নিয়ে আপত্তিকর কথা বলছিল। গৃহবধূর স্বামীর সঙ্গে যুবকদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে যুবকরা গৃহবধূর স্বামীকে একটি কক্ষে আটকে রেখে অন্য একটি কক্ষে গৃহবধূর ওপর যৌন নির্যাতন চালায় এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাতেই ওই দম্পতি নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। পুলিশ পরদিন ভোরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইদুল ইসলাম, রেজাউল করিম পাভেল, জামান বাশার ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে সারিন্দা ফাস্ট ফুডের ম্যানেজার মাহফুজুল ইসলামকে আটক করে। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে পরদিন নেত্রকোনা মডেল থানায় এনামুল হক সম্রাটসহ সাতজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলার অন্য আসামিরা হচ্ছে- রাজেন্দ্রপুর এলাকার জিহান, রাসেল, সাইদুর রহমান, জামান বাশার, রেজাউল করিম ওরফে পাভেল ও সারিন্দা রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার মাহফুজুল ইসলাম ওরফে মামুন মিয়া। পুলিশ আটক হওয়া চারজনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠায়। মামলার অন্য তিন আসামিকে পুলিশ রোববার পর্যন্ত ষোলো দিনেও গ্রেফতার  করতে পারেনি।

ওসি তাজুল ইসলাম জানান, ওই মামলার চার আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে  কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।