গর্তে ভরা ১০ কিলোমিটার সড়ক, দুর্ভোগ

প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২০

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

পাকা সড়কের মাঝখানে পানিতে থইথই। এরপর আবার কোমর সমান গর্ত। গত দুদিনে ভ্যানগাড়ি, রিকশা, সিএনজি, পিকআপ, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলসহ অর্ধশত যানবাহন ওই গর্তে পড়ে উল্টে গেছে। এতে আহতও হয়েছে অনেকে। অসংখ্য খানাখন্দে ভরা ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত ত্রিশাল-কানিহারী সড়কটি সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই সংশ্নিষ্ট এলজিইডি বিভাগের। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ। দুই বছর আগে সংস্কার করা হয়েছিল স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল (এলজিইডি) বিভাগের অধীনে থাকা ত্রিশাল-কানিহারী সড়কটি। নিম্নমানের কাজ হওয়ায় বছর না ঘুরতেই সৃষ্টি হয় ভাঙন ও গর্তের। গত এক বছরে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিনই যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন রামপুর ইউনিয়নের কাকচর, কানিহারী ইউনিয়নের বড়মা, সুরুলিয়ার কান্দা, তালতলা, এলংজানি, দেওপাড়া, সেনবাড়ী, বিয়ার্তা, কুষ্টিয়া ২য় খণ্ডসহ ১০/১২ গ্রামের ৩০ হাজার মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলেও সড়ক সংস্কারে কোনো উদ্যোগ নেই এলজিইডি বিভাগের। এদিকে পৌরসভার রাস্তার পর থেকে কাকচর গ্রাম হয়ে বড়মা মোড় পর্যন্ত চার কিলোমিটার সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে বলে উপজেলা প্রকৌশলী দাবি করলেও বিষয়টি অস্বীকার করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহেদুজ্জামান।

স্থানীয় আতিকুল ইসলাম খোকা, নুরুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেনসহ কয়েকজন জানান, গত দু'দিনে ভ্যানগাড়ি, রিকশা, সিএনজি, পিকআপভ্যান, মোটরসাইকেল ও বাইসাইকেলসহ অর্ধশত যানবাহন ওই গর্তে পড়ে উল্টে গেছে। এতে আহতও হয়েছেন অনেকে। কানিহারী ইউনিয়নের এলংজানি গ্রামের দরিবাড়ির সামনে বিশাল এক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান তারা।

উপজেলা প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান বলেন, পৌরসভার রাস্তার পর থেকে কাকচর হয়ে বড়মা মোড় পর্যন্ত চার কিলোমিটার অংশ সওজ বিভাগ তাদের অধীনে নিয়ে গেছে। গেজেটও হয়েছে। তবে গত বছর বড়মার মোড় থেকে সেনবাড়ী পর্যন্ত সড়কের টেন্ডার হয়েও তা বাতিল হয়। দ্রুততম সময়ের মধ্যে আবার নতুন করে টেন্ডার দিয়ে সংস্কারকাজ শুরু করা হবে। ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সড়কটি কাদের অধীনে বিষয়টি নির্ধারণের পর সংশ্নিষ্টদের সেটি সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হবে।