ভাঙ্গায় বাস উল্টে নিহত চারজনের মধ্যে অজ্ঞাতপরিচয় কিশোরীর নাম রেশমা। বুধবার সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার দু'দিন আগেই রেশমা তার বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তার মরদেহ স্বজনের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। সে চাঁদপুরের শাহরাস্তির আহম্মদনগরের আবুল বাশারের মেয়ে।

নিহত রেশমার বড় ভাই ফারুক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, গত মঙ্গলবার সকাল থেকে রেশমা নিখোঁজ ছিল। চার ভাই-বোনের মধ্যে রেশমা অনেক আদরের ছিল। বুধবার রাতে পুলিশ মোবাইল ফোনে আমাদের জানায়, আমার বোন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।

রেশমার বড় বোন কহিনুর জানান, মোবাইলে রেশমা কারও সঙ্গে প্রায়ই কথা বলত। বাড়ির কাউকে কিছু না বলে সে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। আমরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাইনি। আজ (গতকাল বৃহস্পতিবার) বোনের লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরছি। জানি না ওর ভাগ্যে কেন এমন হলো!

হাইওয়ে থানার ওসি ওমর ফারুক জানান, অনেক চেষ্টার একপর্যায়ে দুর্ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া একটি ব্যাগ থাকা মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। সেই নম্বরে যোগাযোগ করে রেশমার পরিচয় শনাক্ত করতে সক্ষম হই।

মন্তব্য করুন