রাশেদুল শেখ নামে এক যুবক দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন- প্রথম স্ত্রীর এমন অভিযোগ পেয়ে সালিশ ডাকেন স্থানীয় চেয়ারম্যান। সেখানে ওই যুবককে আর্থিক জরিমানা ও জুতাপেটা করার পর পুরুষাঙ্গে ইট বেঁধে ঘোরানো হয়। রক্তপাত শুরু হওয়ার পরও তাকে যেতে দেওয়া হয়নি হাসপাতালে। পরে ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে রাশেদুলকে উদ্ধার এবং ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম আলী ও তার সহযোগী মো. রায়হানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে গত রোববার সন্ধ্যায় রাজবাড়ীর কালুখালীর সাওরাইল ইউনিয়নের চর পাতুরিয়া গ্রামে। রাশেদুল একই গ্রামের ইমান আলীর ছেলে। পরে ওই যুবককে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। শহিদুল একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।

সূত্র জানায়, রোববার সন্ধ্যায় রাশেদুলের বিচারের জন্য চর পাতুরিয়া স্কুল মাঠে সালিশ বসান চেয়ারম্যান শহিদুল। সালিশে তাকে দোষীসাব্যস্ত করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও একশটি জুতার বাড়ির রায় দেওয়া হয়। পরে তার পুরুষাঙ্গে ইট বেঁধে ঘোরানো হয়।

কালুখালী থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান, অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা ইমান আলী মামলা করেছেন। এ মামলায় অভিযুক্তদের সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন