সাত মাসের সন্তানকে কোলে নিয়ে জাপান প্রবাসী প্রতারক স্বামীর গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নির্যাতিতা এবং প্রতারণার শিকার এক নারী। মঙ্গলবার মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী স্ত্রী মৌসুমী হোসেন মুন্নী।

সংবাদ সম্মেলনে ওই নারী জানান, ২০১৯ সালের ১ মে পারিবারিকভাবে ঢাকার মিরপুরের বাসিন্দা জাপান প্রবাসী জুয়েল শিকদারের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে ১৫ ভরি স্বর্ণালংকার দেওয়া হয়। বিয়ের পর জুয়েল জাপান গিয়ে সাড়ে তিন মাস পর দেশে আসে। বিশেষ টাকার প্রয়োজন দেখিয়ে তার স্বর্ণালংকারগুলো জুয়েল বিক্রি করে দেয়। এর কয়েক মাস পর জুয়েল যৌতুক হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করে। অপারগতায় জুয়েল তাকে মারধর করে। এক পর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা মৌসুমী জানতে পারেন, তার স্বামী আগে আরও তিনটা বিয়ে করেছে এবং দুই স্ত্রীকে নিয়ে জাপানে বসবাস করছে। অপর স্ত্রীকে আলাদা বাসায় রেখেছে। তাকে বিয়ে করার আগে এসব কথা গোপন রাখে জুয়েল। তাদের দুই বছরের সংসার জীবনে ৭ মাস আগে জান্নাতুল মেহেক রাইসা নামে এক কন্যা সন্তান আসে। এর পর থেকে প্রতারক স্বামী তাকে অপমান, অবহেলা, নির্যাতন ও যৌতুক দাবি করে। গত ডিসেম্বর মাসে তাকে না জানিয়ে ফরিদপুরে পঞ্চম বিয়ে করে জুয়েল। বর্তমানে জুয়েল তার সঙ্গে সব রকম যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে।

মন্তব্য করুন