নবাবগঞ্জে বিরোধপূর্ণ জমিতে জোরপূর্বক সীমানা প্রাচীর নির্মাণে বাধা দেওয়ার জেরে অন্তঃসত্ত্বাসহ একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের বড় বাহ্রা পশ্চিমপাড় গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আহতরা হলেন- বড় বাহ্রা পশ্চিমপাড় গ্রামের মোতালেব পত্তনদার, তার স্ত্রী শাহিমা বেগম ও ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা পুত্রবধূ সানজিদা আক্তার।

মোতালেব পত্তনদারের মেয়ে আফিয়া আক্তার পূর্ণিমা অভিযোগে জানান, বাড়ির পশ্চিম পাশে জমি নিয়ে শেখ সেন্টু গংয়ের সঙ্গে বিরোধ ছিল। বুধবার সকালে শেখ সেন্টু গং জোরপূর্বক সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে এলে আমরা বাধা দিই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শেখ সেন্টুসহ শহীদুল ইসলাম, মুরছালিন শেখ, নুরু পত্তনদার, রাবিক পত্তনদার, মো. মফজেল, আতাউর রহমান, মো. জুয়েল মিলে ধারালো অস্ত্র, ইট, লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। তারা আমার বাবা মোতালেব পত্তনদার, মা শাহিমা বেগম ও ৯ মাসের গর্ভবতী ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সানজিদা আক্তারকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।

আহত মোতালেব পত্তনদারের ছোট ছেলে মাসুদ পত্তনদার অভিযোগ করে বলেন, রাকিব পত্তনদার ও নুরু পত্তনদারের মদদে এ হামলা চালানো হয়েছে। আমি এই সন্ত্রাসীদের বিচাই চাই।

এ বিষয়ে শেখ সেন্টু বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসিত ছিল। তাই সেখানে সীমানা প্রাচীর তুলতে গিয়েছিলাম। তিনি মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, আমরা তাদের মারধর করিনি।

ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন