ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় কিশোর হাসান মিয়াকে গলা কেটে হত্যারহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত একমাত্র আসামি বিপুল হাসান মিন্টুকে গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হয়।

জবানবন্দিতে বিপুল জানায়, ঘটনার দিন তারা দু'জনে একসঙ্গে গাঁজা সেবন করে। কিন্তু হঠাৎ বিপুলকে গালি দেয় হাসান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বাড়ি ফেরার পথে হাসানের গলায় ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় বিপুল। পুলিশ জানায়, গৌরীপুর উপজেলার লক্ষ্মীপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার রাজু মিয়ার ছেলে হাসান মিয়া রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করত। হত্যার ঘটনায় গত শনিবার বিপুল হাসান মিন্টু নামে এক তরুণের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন নিহতের মা। পুলিশ তাৎক্ষণিক সন্দেহভাজন হিসেবে আলিফ মিয়া নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিল বিপুল।

চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশ। প্রযুক্তির সহায়তায় গত বুধবার রাতে গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ঢাকার মিরপুরের পল্লবী এলাকা থেকে বিপুল হাসানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেওয়া তথ্যে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহূত ছুরি উদ্ধার করা হয়। গতকাল তাকে ময়মনসিংহ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।

ময়মনসিংহ গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ শাহ কামাল আকন্দ বলেন, মাদক সেবন নিয়ে গালি দেওয়ায় বিপুল একাই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

মন্তব্য করুন