কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে বিরল প্রজাতির ইমু পাখির ঘরে তিনটি বাচ্চা ফুটেছে। পার্ক প্রতিষ্ঠার পর ইমু পাখির ঘরে একসঙ্গে তিনটি বাচ্চা ফোটানোর ঘটনা অবশ্য দ্বিতীয়। এর আগে ২০২১ সালের জানুয়ারি একটি বাচ্চা ফোটায় ইমু পাখি।

পার্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সপ্তাহ খানেক আগে ইমু পাখির ঘরে তিনটি নতুন অতিথি আসে। এদের দেখে বেশ আনন্দ পাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। বিশেষ করে শিশুদের আকৃষ্ট করছে বাচ্চাগুলো। এ নিয়ে বাচ্চার সংখ্যা চারটিতে দাঁড়িয়েছে। ইমু পাখির বাচ্চাগুলোকে সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে পার্কের দুই কর্মচারীকে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত করা হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রতি বছরই ইমু পাখি সাত-আটটি করে ডিম পাড়ে। কিন্তু কখনোই ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানো সম্ভব হয়নি। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে সাতটি ডিম পাড়ে ইমু পাখি। এর মধ্যে মাত্র একটি বাচ্চা ফোটায় পাখিটি।

সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী জানান, ইমু পাখি কলমিশাক, কচি শাক ও পাহাড়ি লতাগুল্ম, কীটপতঙ্গ, পোলট্রি ফিড, গম, ভুট্টা ও চালভাঙা খেতে অভ্যস্ত। পাখির মধ্যে এরা বেশ শক্তিশালী। পানির কাছাকাছি ঝোপঝাড়মুক্ত উন্মুক্ত ঘাসভূমি এদের আবাসস্থল।

তিনি আরও জানান, একটি প্রাপ্তবয়স্ক ইমুর ওজন ৩৮ থেকে ৬০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এদের আয়ুস্কাল প্রকৃতিতে পাঁচ থেকে ১০ বছর। তবে আবদ্ধ অবস্থায় এরা বাঁচে ১২ থেকে ২০ বছর।

মন্তব্য করুন