কঠোর লকডাউনের মধ্যেও গতকাল মঙ্গলবার লৌহজং উপজেলার গোয়ালীমান্দ্রা হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। লকডাউনে হাট বন্ধ রাখার কোনো নির্দেশ পাননি বলে জানান হাটের ইজারাদার শাহাবউদ্দিন খান বাবু। প্রশাসনের বাধা না পেয়ে করোনাভাইরাসের ঝুঁকির মধ্যেও ক্রেতা-বিক্রেতারা বেচাকেনা করেছেন।

লৌহজং উপজেলার সবচেয়ে বড় হাট গোয়ালীমান্দ্রা। প্রতি মঙ্গলবার এ হাট বসে। লকডাউনে হাট খোলা নিয়ে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, উপজেলার সবক'টি বাজার ও মহল্লার দোকানপাট থেকে কেনাকাটা করা যাচ্ছে, হাট চালুর প্রয়োজন ছিল না। 

সরেজমিনে হাটের সবজি বাজার, মাছ বাজার, হাঁস-মুরগির বাজার ও পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতায় হাট গিজ গিজ করছে। সামাজিক দূরত্বের বালাই নেই। একজন আরেকজনের গা-ঘেঁষে দরদাম করছেন। ৩০-৪০ শতাংশের মুখে মাস্ক নেই। যাদের মুখে মাস্ক আছে, তাদের অনেকের থুতনিতে ঝুলছে সে মাস্ক।

পান দোকানি দিলীপ সিংহ বলেন, অনেক ক্রেতাই মাস্ক পরে আসেন না।

উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান মুনীর হোসেন মোড়ল বলেন, এক হাটে ১০টি বাজারের সমান ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম হয়ে থাকে। ফলে মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়।

লৌহজং থানার ওসি আলমগীর হোসাইন বলেন, গোয়ালীমান্দ্রা হাট খোলার বিষয়টি জানা ছিল না। খবর পেয়ে হাটে গিয়ে মাইকিং করে মানুষজনকে মাস্ক পরতে নির্দেশ দিই এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলি।

ইউএনও হুমায়ুন কবির বলেন, গরুর হাট ছাড়া হাঁস-মুরগি, ছাগলের হাট লকডাউনের আওতাভুক্ত নয়।  তবে মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য লোকজনকে সচেতন করা হচ্ছে। প্রতিদিন মাইকিংও করা হচ্ছে।

মন্তব্য করুন