সখিপুরের গোরগোবিন্দপুর গ্রামে এক গৃহবধূ সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল থেকে ওই নারীকে ডেকে এনে পাঁচজনে মিলে ধর্ষণ করে। তার বাড়ি ঘাটাইল উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের তারতলা গ্রামে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় সিয়াম নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়াও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নারীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে। ধর্ষণের শিকার ওই নারীর বাবা জানান, একই গ্রামে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। কিছুদিন ধরে সখিপুরের জয় নামের এক যুবকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে মেয়ের পরিচয় হয়। তারা ফোনে প্রতিনিয়ত আলাপ করত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার ফোন পেয়ে মেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। রাতে সে আর বাড়িতে ফেরেনি।\হঘাটাইলের সাগরদীঘি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জাকির হোসেন জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই নারীকে কয়েকজন যুবক সখিপুরে নিয়ে যায়। সখিপুরের গোরগোবিন্দপুর গ্রামে নিয়ে রাতে পাঁচজনে তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে তার প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এক যুবক মোটরসাইকেলে তাকে ঘাটাইলের শোলাকুড়া একটি মসজিদের সামনে নামিয়ে দিতে আসে। সেখানে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। এ ঘটনা মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিদের নজরে আসে। তারা এ সময় তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তখন ওই নারী ধর্ষণের বিষয়টি তাদের খুলে বলেন। পরে গ্রামের লোকজন ঘাটাইল তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার ও যুবককে আটক করে তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে। তার নাম সিয়াম। সে সখিপুরের গোরগোবিন্দপুর গ্রামের ময়নালের ছেলে। জাকির হোসেন আরও জানান, ঘটনা সখিপুর হওয়ায় ওই যুবককে সখিপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন