কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছয়টি প্যাকেজের দরপত্র জমাদানে বাধাদানের অভিযোগ বুধবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অস্বীকার করেন। তিনি সফিপুরের নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘটনা তুলে ধরে বলেন, তার জানামতে ৩ মে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দরপত্র জমাদানে আওয়ামী লীগের কোনো কর্মী বাধা দেননি বা দরপত্র ছিঁড়ে ফেলেননি। তবে কোনো গোষ্ঠী দরপত্র জমাদানে বাধা ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটাতে পারে। এ অপ্রীতিকর ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগ দায়ভার নেবে না। তবে দলীয় পদবিধারী কোনো নেতাকর্মী যদি দরপত্র জমাদানে বাধার সৃষ্টি করে, কোনো স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা করে- সেটা তার ব্যক্তিগত। তবে উপজেলা আওয়ামী লীগ শিগগিরই একটি তদন্ত কমিটি করে তদন্ত করে দেখবে কোনো আওয়ামী লীগ নেতা ও শতাধিক কর্মী মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে টেন্ডারবাজি করেছে কিনা। কোনো দলীয় নেতাকর্মী জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিকদার মোশারফ হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সরকার মোশারফ হোসেন জয়, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিকদার জহিরুল ইসলাম জয়, আওয়ামী লীগ নেতা কিরণ ওয়াসি প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

৩ মে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছয়টি প্যাকেজের টেন্ডার জামাদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর পছন্দের তিন প্রতিষ্ঠান নবী ফার্মেসি, নিপুণ প্রযুক্তি ফার্মেসি ও সেফওয়ে সার্জিক্যাল অ্যান্ড মেডিসিন নামক প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয় সহজে। তবে নেতাদের বাধার কারণে জমা দিতে পারেনি ছয়-সাতটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

মন্তব্য করুন