এবারের ঈদে উপজেলার সহস্রাধিক দর্জিবাড়িতে কোনো কাজের অর্ডার নেই বললেই চলে। ফলে দর্জিবাড়ির কর্মচারীরা অলস সময় পার করছেন। তবে শহরে গড়ে ওঠা দর্জিবাড়িতে কিছু কাপড় তৈরির অর্ডার থাকলেও দোকান মালিক কর্মচারী দিয়েছেন কমিয়ে। ফলে এবারের রোজার ঈদে দর্জিবাড়িতে দুর্দিন চলছে। আবার শহরের দর্জিবাড়ির মালিক ও কর্মচারীরা জানান, ঈদের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও বেচাকেনা হয়েছে ৩০ শতাংশের মতো।

শুক্রবার উপজেলার কয়েকটি ছোট বাজারের দর্জি দোকানের মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৈশ্বিক করোনার থাবা দর্জির দোকানের এসে লাগে। গ্রামাঞ্চলের দর্জি দোকানগুলোয় তিন-চারজন কর্মচারী রেখে ঈদের অর্ডার নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটিয়ে কাজ করতে হতো। কিন্তু এবার এক-দু'জন কর্মচারী দিয়েই কোনো রকমে দিনের বেলাই কাজ শেষ করে দোকান বন্ধ করে দিতে হয়।

উপজেলার শিল্পাঞ্চল আনসার একাডেমির তিন নম্বর গেট এলাকার মুক্তা টেইলার্সের মালিক মুকুল হোসেন জানান, করোনার প্রভাবে দেড় বছর ধরে কাজের অর্ডার নেই বললেই চলে। এবারের ঈদে কোনো কাজ নেই। কোনো রকমে একজন কর্মচারী রেখে দু-একটা কাজ করছি।

মৌচাক ইউনিয়নের বিশ্বাসপাড়া এলাকার আঁখি টেইলার্সের মালিক সাইদুল ইসলাম জানান, গত বছরেরর থানকাপড় পড়ে রয়েছে।

সফিপুর শিল্পাঞ্চলের মৌমিতা টেইলার্সের মালিক কামরুজ্জামান জানান, গত ঈদে যাও বেচাকেনা করতে পারতাম, তার চেয়েও এবারের ঈদে বেচাকেনা কমে গেছে।

কালিয়াকৈর বাজার দর্জি ও থানকাপড় সমবায় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন খোকন জানান, কালিয়াকৈর বাজারে দর্জি দোকানে ক্রেতাদের কিছুটা ভিড় দেখা যায়। তবে গ্রামাঞ্চলের দর্জি দোকানে গতবারের তুলনায় খুব কম। ক্রেতারা রেডিমেট কাপড় ক্রয়ের দিকেই বেশি ঝুঁকে পড়ছেন।

মন্তব্য করুন