কেরানীগঞ্জে সোনার বাংলা হাউজিং এলাকায় শুক্রবার রাতে সিকিউরিটি গার্ড মো. সামসুল হক নামের এক ব্যক্তিকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে রাতেই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুরে নিহতের ভাতিজা আনারুল হক বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় অজ্ঞাতপরিচয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ সরদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, সোনার বাংলা হাউজিং এলাকায় ভাসমান সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে আনাগোনা করছে। এসব সন্ত্রাসী চাঁদা, ছিনতাই, মাদক, জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করে থাকে। সোনার বাংলা হাউজিং এলাকাটি অপরাধীদের ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। বাদী আনারুল হক জানান, তার চাচা সামসুল হক কালিন্দী সোনার বাংলা হাউজিংয়ের রতন মিয়ার নির্মাণাধীন কারখানার সিকিউরিটির চাকরি করতেন। হাজি সোলাইমান জামে মসজিদে তারাবি নামাজ শেষে বাসায় যান তিনি। বাসা থেকে রাত সাড়ে ১১টায় সেহরির খাবার নিয়ে কারখানার দিকে যাচ্ছিলেন।

সোনার বাংলা হাউজিংয়ের বাঘবাড়ির কাছে গেলে তার চাচা সামসুল হককে অজ্ঞাতপরিচয়ে সন্ত্রাসীরা গলা কেটে হত্যা করে ফেলে রাখে। স্থানীয় লোকজন মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো ছুরির আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে, তা এখনও বলা যাচ্ছে না। তবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার চাচাকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের বাড়ি রাজশাহী জেলার চাপাইঘোড়া ডাঙ্গা গ্রামে। ছয় মাস হয় তিনি কেরানীগঞ্জে আসেন।

এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি কাজী মাইনুল আমীন বলেন, অজ্ঞাতপরিচয় সন্ত্রাসীরা সামসুল হককে গলা কেটে হত্যা করেছে। তদন্তের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করা হবে।

মন্তব্য করুন