ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় দোকানে বাকিকে কেন্দ্র করে বিরোধে আজিজুল হক নামে এক মুদি দোকানি নিহত হন। হত্যাকাণ্ডের ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। ওই অবস্থায় সোমবার আজিজুল হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে এলাকাবাসী।

উপজেলার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের পুনাইল গ্রামের আছর উদ্দিনের ছেলে আজিজুল হক। তিনি কৃষি কাজের পাশাপাশি নিজের বাড়ির সামনে মুদি দোকান করে সংসার চালাতেন। আজিজুলের ভাতিজা শাহ আলমের মুদি দোকান থেকে বাকিতে পণ্য নিয়ে চার হাজার টাকা দিচ্ছিলেন না সোয়াইব আহমেদ সোহেল। গত ৭ মে বিকেলে টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে বাগ্‌বিতণ্ডার এক পর্যায়ে দু'পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত অবস্থায় আজিজুলকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় ৮ মে নিহতের স্ত্রী জোসনা আক্তার বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০ জনকে আসামি করেন। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত করা হয়েছে সাখুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালাহ উদ্দিন মাহমুদকে। কিন্তু ঘটনার প্রায় ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

সোমবার তারুন্দিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দারা ভারতী বাজারে মানববন্ধন কর্মকসূচি পালন করে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। নিহতের চাচাতো ভাই মহিউদ্দিন আজাদ মানিক বলেন, প্রকাশ্যে একটি হত্যাকাণ্ড ঘটনার পরও আসামিরা গ্রেপ্তার হচ্ছে না। অবিলম্বে আসামিরা গ্রেপ্তার না হলে কঠোর কর্মসূচি দেবেন তারা।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মো. আবদুল কাদির মিয়া বলেন, ঘটনার পর থেকে সবাই পলাতক। তবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মন্তব্য করুন