দেবিদ্বার উপজেলায় তোফাজ্জল হোসেন নামে এক পুলিশের কনস্টেবলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। দুই পরিবারের জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ওই পুলিশ সদস্য শাবল দিয়ে আব্দুল্লাহ বিন মামুন (১৭) নামে এক কিশোরের পায়ের গোড়ালি কেটে ফেলে। আহত মামুন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি ঘটে গত ১২ মে সকালে দেবিদ্বার উপজেলার ফতেহাবাদ ইউনিয়নের সাইচাপাড়া গ্রামের বজলু মাস্টারের বাড়িতে।

সাইচাপাড়া গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে পুলিশের কনস্টেবল তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে ওই বাড়িরই প্রবাসী মামুনুর রশীদের ছেলে আব্দুল্লাহ বিন মামুনের জমির সীমানা নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তোফাজ্জল লোহার শাবল (খুন্তি) দিয়ে পায়ের গোড়ালিতে আঘাত করলে মামুন গুরুতর আহত হন। ওই ঘটনায় সোমবার আহত আব্দুল্লাহ বিন মামুনের মা কুলসুম আক্তার বাদী হয়ে পুলিশের কনস্টেবল তোফাজ্জল হোসেনকে (কং ১১৯৮৬) একমাত্র আসামি করে দেবিদ্বার থানায় মামলা করেন। কুলসুম আক্তার জানান, তোফাজ্জল হোসেনের বাবার কাছ থেকে প্রায় ১২ বছর আগে আমার প্রবাসী স্বামী মামুনুর রশীদ ছয় শতাংশ জমি কেনেন। আমরা ওই জায়গায় বাড়ি তৈরি করে বসবাস করে আসছি। ঘটনার দিন বাড়ির সীমানায় আমার ছেলে মামুন গাছের পরিচর্যা এবং নতুন করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেওয়ার সংবাদে ঢাকা ডিএমপিতে কর্মরত পুলিশের কনস্টেবল তোফাজ্জল হোসেন অফিস থেকে ছুটি না নিয়েই বাড়িতে এসে আমার ছেলের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ঘর থেকে একটি লোহার শাবল এনে তা দিয়ে মামুনকে পেটাতে থাকে এবং পায়ের গোড়ালিতে আঘাত করে।

ওসি মো. আরিফুর রহমান বলেন, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দুই পরিবারের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই ঘটনায় কুলসুম আক্তার বাদী হয়ে তোফাজ্জল হোসেন নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা করেছেন।

মন্তব্য করুন