ধামরাইয়ে জমিসংক্রান্ত বিরোধে মারধরের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করায় ক্ষোভে লাশ দাফনে বাধা দেয় আপন বোন ও মাতবরের লোকজন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধামরাইয়ের লাড়ুয়াকুণ্ড গ্রামে।

কুল্লা ইউনিয়নের লাড়ূয়াকুণ্ড গ্রামে নিহত আরশেদ আলী চার দিন আগে নিজের বসতভিটায় ছোট মেয়ে সাথীকে নিয়ে এলে বোন আলেকা বেগম, একই গ্রামের নাটু মাতবর ও তার লোকজন অসুস্থ আরশেদ আলীকে জমিজমার বিষয়ে বেশ চাপ প্রয়োগ করে। একপর্যায়ে ১২ বছরের মেয়ে সাথীকেও মারধর করে জখম করা হয়। এ ঘটনায় আরশেদ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম তিন দিন আগে থানায় ফুপু আলেকা বেগম ও নাটু মাতবরসহ আটজনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করেন।

বৃহস্পতিবার আরশেদ আলী অসুস্থ অবস্থায় অন্যত্র মেয়ের বাসায় মৃত্যুবরণ করেন। তার ছেলেমেয়ে ও এলাকাবাসী তার লাশ নিজ গ্রামে দাফনের প্রস্তুতি নিলে বোন আলেকা বেগম, নাটু মাতবর ও তার ছেলেরা দাফন করতে বাধা দেয়। তাদের নামে থানায় যে অভিযোগ রয়েছে তা উঠানোর পর লাশ দাফন হবে বলে চাপ প্রয়োগ করে। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে থানায় ফোন দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছালে তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে নাটু মাতবর ও তার ছেলেরা।

পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরশেদ আলীর বোন আলেকা ও নাটু মাতবরকে আটক করে।

বিষয় : লাশ দাফনে বাধা

মন্তব্য করুন