ধামরাইয়ের যাদবপুর ইউনিয়নের ১০ গ্রামের মানুষের ভরসা এখন রামভদ্রপাড়া বংশী নদীর ওপর নির্মিত কাঠের সেতু। এ সেতু দিয়েই চলাচল করছেন হাজার হাজার মানুষ। এতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হয়েছে বলে জানান ইউনিয়নবাসী। তারা বলেন, নদীতে পানি থাকলে নৌকা কিংবা বাঁশের তৈরি সাঁকো দিয়েই চলাচল করতাম। প্রতিনিয়ত চরম আতঙ্কের মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে বৃদ্ধ-শিশুসহ সব শ্রেণির মানুষকে পারাপার হতে হয়েছে। সম্প্রতি যাদবপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ইছাক ইউনিয়নবাসীর সহায়তায় কাঠের সেতুটি নির্মাণ করে দেওয়ায় নদী পারাপারে ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। তবে ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এখানে একটি পাকা সেতু নির্মাণের, যাতে ট্রাকসহ সব যানবাহন চলাচল করতে পারে।

জানা গেছে, ধামরাইয়ের যাদবপুর ইউনিয়নটি দীর্ঘদিন ধরেই অনেক অবহেলিত। এ ইউনিয়নের মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে বংশী নদী। নদীর দুই পাশে রয়েছে ১০ থেকে ১২টি গ্রাম। নদী পারাপারে সেতু না থাকায় রামভদ্রপাড়া, আমরাইল, দক্ষিণপাড়া, গবরা, পাঁচলক্ষ্মী, গ্রোমগ্রাম, বিলকুশনাইসহ ১০ গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে ছিল। অনেক দিন ধরে ইউনিয়নের লোকজনকে বাঁশ দিয়ে সরু সাঁকো তৈরি করে চলাচল করতে হতো। প্রায়ই ঘটত দুর্ঘটনা। সম্প্রতি যাদবপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ইছাক ইউনিয়নবাসীর দুর্ভোগ দেখে সবার সহযোগিতা নিয়ে বংশী নদীর ওপর ২৫০ ফুট লম্বা ও ৬ ফুট প্রস্থ কাঠের সেতু নির্মাণ করেন। এখন এ সেতু দিয়েই মোটরসাইকেল, অটোবাইক ও রিকশা চলাচল করছে। নদী পারাপারে ঝুঁকি অনেকটা কমে গেলেও সরকারি অর্থায়নে সেখানে পাকা একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ইউনিয়নবাসী।

যাদবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ইছাক বলেন, যাদবপুর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পরই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের মাধ্যমে ইট সলিংসহ প্রায় ১০ থেকে ১২টি নতুন রাস্তা নির্মাণ করেছি। এ ছাড়া ইউনিয়নবাসীর সহযোগিতায় রামভদ্রপাড়া বংশী নদীর ওপর নান্দনিক কাঠের সেতুও নির্মাণ করেছি। এতে হাজার হাজার মানুষের কষ্ট লাঘব হয়েছে।

বিষয় : কাঠের সেতু

মন্তব্য করুন