কলেজপড়ূয়া নিলুফা ইয়াসমিন ঝুমুরের সঙ্গে সম্পর্ক চলছিল হাবিবুল বাশার জয়ের। এরই মধ্যে সজীব হোসেন নামে অন্য এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে ঝুমুর। ঝুমুর কোথায় যায়, কার সঙ্গে কথা বলে- সবকিছুই নজরদারিতে রাখে জয়। ঝুমুরের সঙ্গে জয়ের সম্পর্ক গভীর হলেও পরবর্তী সময় সজীবের প্রেমে জড়িয়ে যাওয়ার কারণে জয়কে আর পাত্তা দিচ্ছিল না ঝুমুর। একপর্যায়ে ঝুমুর, সজীব, তাদের বন্ধু তানহা জুবায়ের মিলে জয়কে হত্যার পরিকল্পনা করে। জয়কে কৌশলে ঝুমুর যাত্রীবাহী একটি বাসে ওঠায়। ওই বাসে আগে থেকেই অবস্থান করছিল সজীব, জুবায়েরসহ কয়েকজন।

গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে কাশিমপুর তেতুইবাড়ি এলাকায় নিয়ে তারা বাসের ভেতরেই বেদম মারধর করে জয়কে। একপর্যায়ে বাস থেকে ওই এলাকার রহিজ উদ্দিনের ছেলে জয়কে রাস্তার পাশে ফেলে যায় তারা। গুরুতর আহত জয়কে স্থানীয়রা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ঘটনার এক বছর পর হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত আশুলিয়ার বাড়ইপাড়া এলাকার শাহ আলম স্বর্ণকারের ছেলে তানহা জুবায়ের পিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তারের পর বেরিয়ে আসে এ হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য। জুবায়ের মঙ্গলবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানায় পিবিআই।

পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান বলেন, সম্পর্কের জের ধরেই জয়কে বাসের ভেতর মারধর করে তারা। পরে রাস্তায় ফেলে রেখে ঝুমুর, সজীব, জুবায়ের পালিয়ে যায়। একপর্যায়ে জয়ের মৃত্যু হয়।

মন্তব্য করুন