ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়ী ইউনিয়নের মল্লিকবাড়ী গ্রামে অবস্থিত মল্লিকবাড়ী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাটিতে ঝুঁকি নিয়েই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। টিনের ছাউনি মাটির দেয়ালবেষ্টিত ওই মাদ্রাসা ঘরটি ধসে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

মল্লিকবাড়ী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। ওই গ্রামের মরহুম হাফেজ মাওলানা কমর উদ্দিন এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা। তখন ছনের চালা আর বাঁশের বেড়ায় শুরু হয় মাদ্রাসার পাঠদান। পরে ওই এলাকার মানুষের সহায়তায় মাটির দেয়াল ও টিনের ছাউনিতে রূপান্তর করা হয় প্রতিষ্ঠানটি। ওই সময়ে মাটির ঘরটিতে চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। মাদ্রাসায় ১৮ শিক্ষক ও ৪ কর্মচারী রয়েছেন। মাদ্রাসায় বর্তমানে প্রায় ৪শ শিক্ষার্থী রয়েছে।

মাটির তৈরি মাদ্রাসা ঘরটি জরাজীর্ণ ও মাটির প্রলেপ খসে পড়ছে। দেয়ালে ফাটল, ব্যাপক ঝুঁকিতে রয়েছে মাদ্রাসা ঘরটি। প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা আকস্মিকভাবে যেকোনো সময় ঘরের দেয়াল ধসে ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়েই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আমিনুল ইসলাম জানান মাদ্রাসা ঘরের মাটির দেয়ালে বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও পলেস্তারা খসে গেছে। আতঙ্কের মধ্যে তাদের ক্লাস করতে হচ্ছে। এই মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ করে দিলে তারা নিশ্চিন্তে লেখাপড়া করতে পারবে।

মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক কুদরত আলী জানান, পুরাতন এই মাদ্রাসায় ৪ শতাধিক ছাত্রছাত্রী রয়েছে। মাটির ঘরে ক্লাস নিতে অসুবিধা হয়, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তিনিও একটি নতুন ভবন নির্মাণ করার দাবি জানান।

মাদ্রাসার সুপার আতাউল গনি মাইনুদ্দিন জানান, মাদ্রাসা ঘরটি সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসা ঘর ঝুঁকিপূর্ণ তা তার জানা নেই। মাদ্রাসাটি পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানাবেন।

স্থানীয় এমপি কাজিম উদ্দিন আহমেদ ধনু জানান, মল্লিকবাড়ী ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার নতুন ভবন করা হবে।

মন্তব্য করুন