দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কেবিন কক্ষে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হাসপাতালের দুই নম্বর কেবিন কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কিশোরী দশমিনা থানায় মামলা করেছে।

গ্রেপ্তার মিন্টু সিকদার (৩০) উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামের হানিফ সিকদারের ছেলে এবং শহিদুল ইসলাম (২৮) বেতাগীর সানকিপুর ইউনিয়নের গোপালদী গ্রামের জব্বার হোসেনের ছেলে।

দশমিনা থানা ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ওই কিশোরী হাসপাতালে ভর্তি তার অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে আসে। এ সময় একই এলাকার মিন্টু সিকদার হাসপাতালের কেবিনবয় শহিদুলের সহায়তায় কিশোরীকে হাসপাতালের ২ নম্বর কেবিন কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করে। তখন তার চিৎকারে লোকজন ছুটে এলে মিন্টু সিকদার ও শহিদুল ইসলাম পালিয়ে যায়। রাতেই থানায় মামলা করে কিশোরী। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মিন্টু সিকদার ও শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে। তাদের গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। কিশোরীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শহিদুলের বাবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মচারী ছিলেন। তিনি অবসর গ্রহণের পর হাসপাতালে কোনো ওয়ার্ডবয় না থাকায় তার ছেলে শহিদুল ওয়ার্ডের বয় হিসেবে কাজ করছেন। তিনি হাসপাতালের কোনো সরকারি কর্মচারী নন।

দশমিনা থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান দু'জনকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মন্তব্য করুন