টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে কথামতো না চলায় প্রেমিকাকে কোপানোর অভিযোগ উঠেছে। পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর অভিযুক্ত হৃদয়কে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সে উপজেলার

ছয়আনী বকশিয়া গ্রামের টেক্কা মিয়ার ছেলে।

মামলার বিবরণ ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে হৃদয়ের সঙ্গে দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুই মাস আগে বিষয়টি দুই পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়। পরে দুই পরিবার সিদ্ধান্ত নেয় বছর দুই পর পারিবারিকভাবে বিয়ের আয়োজন করবে। এ নিয়ে তারা লিখিত সমঝোতা করেন। এ ঘটনার কিছুদিন পর হৃদয় ওই স্কুলছাত্রীকে পড়ালেখা বন্ধ করে দিতে বলে। অনুমতি ছাড়া বাড়ির বাইরে না যাওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়। কিন্তু ওই ছাত্রী হৃদয়ের কথা না শুনে পড়ালেখা চালিয়ে যায় এবং স্বাধীনভাবে চলাচল করতে থাকে। এতে ক্ষিপ্ত হয় হৃদয়। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। মেয়েটি এরপর থেকে হৃদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। গত শনিবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তাকে চাপাতি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে হৃদয়। পরে পরিবারের লোকজন এগিয়ে এলে হৃদয় পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই স্কুলছাত্রীকে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর নানা রোববার বাদী হয়ে হৃদয়কে আসামি করে মামলা করেন।

ঘাটাইল থানার ওসি আজাহারুল ইসলাম সরকার জানান, মামলা হওয়ার পরপরই আসামিকে

গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য করুন