স্মরণ

শেখ হাসিনা-বেবী মওদুদ :বিশ্বস্ততম বন্ধু

প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০১৫      

হাসান শাহরিয়ার

ক্ষমতার কাছে থেকেও যারা প্রভাব খাটিয়ে অফুরন্ত সম্পদের মালিক না হয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথকে বেছে নেন, নীতির প্রশ্নে থাকেন আপসহীন এবং নিজের উচ্চাভিলাষকে দমিয়ে রেখে সাদাসিধে জীবনযাপন করে সাধারণ লোকের কাতারে শামিল হন, এমন লোকের সংখ্যা আমাদের সমাজে খুব কম। স্বার্থসিদ্ধির জন্য এই দলের লোকেরা আত্মীয় বা বন্ধুতোষণ করেন না। চরম দুর্দিনেও তারা কারও কাছে হাত পাতেন না। নিজেদের দুঃখ-কষ্টে অন্যকে ভাগীদার হতে দেন না; কিন্তু অপরের বিপদে সর্বাত্মক সহযোহিতা করেন। অন্যায়কে প্রশ্রয় না দেওয়ার কারণে কোনো কোনো সুযোগসন্ধানী দলীয় নেতাকর্মী, বন্ধু অথবা আত্মীয়-স্বজন তাদের সমালোচনা করলেও পরম রাজনৈতিক শত্রুরা অগোচরে তাদের প্রশংসা করেন। প্রয়াত সাংবাদিক বেবী মওদুদ ছিলেন তাদেরই একজন। তিনি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু ও সজ্জন। ইচ্ছা করলেই বিপুল অর্থসম্পদের মালিক হয়ে তিনি আরাম-আয়েশে জীবন কাটাতে পারতেন। তিনি সে পথ বেছে নেননি। ফলে অভাব ছিল তার নিত্যসঙ্গী। এককালের অগি্নকন্যা বর্তমান কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এবং অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর সৈয়দ নজরুল ইসলামের পুত্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকেও এই দলভুক্ত করা যায়। এই পথের পথিকদের সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। কিন্তু যারা এখনও কামড় খেয়ে টিকে আছেন তারা আমাদের নমস্য।
নারীর অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রামে একনিষ্ঠ, সমাজসেবায় অগ্রণী, সাহিত্য সাধনায় নিবেদিতপ্রাণ কিংবা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকা সত্ত্বেও বেবী মওদুদ ছিলেন মূলত পেশাদার সাংবাদিক। তিনি সাপ্তাহিক ললনা, দৈনিক সংবাদ, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক মুক্তকণ্ঠে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। বিবিসির বাংলা বিভাগের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বাংলা বিভাগ গড়ে তোলার ব্যাপারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। নতুন কলেবরে যখন সাপ্তাহিক বিচিত্রা প্রকাশ হয় তখন তিনি এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এই সাময়িকীর সম্পাদক ছিলেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ রেহানা। মৃত্যুকালে বেবী মওদুদ বিডিনিউজের সোস্যাল অ্যাফেয়ার্স সম্পাদক ছিলেন। সংরক্ষিত নারী আসনের একজন সংসদ সদস্য থাকার সময়ও তিনি নিজেকে সাংবাদিক বলেই পরিচয় দিতেন। সাংবাদিকতা ছিল তার পেশা ও নেশা এবং জাতীয় প্রেস ক্লাব ছিল সত্যিকার অর্থে তার সেকেন্ড হোম। দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে সংগ্রামে হার মেনে গত বছরের এই দিনে তিনি এই পৃথিবীর মায়ার বন্ধন ছিন্ন করে অজানার উদ্দেশে যাত্রা করেন।
বেবীর জন্ম কলকাতায়, ১৯৪৮ সালের ২৩ জুন। বাবা আবদুল মওদুদ সরকারের বিচার বিভাগের পদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন। মা হেদায়েতুন্নেসা ছিলেন গৃহবধূ। ছয় ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। নাম আফরোজা নাহার মাহফুজা খাতুন। ঘামাছির আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য অনেক মা-ই শিশুদের গায়ে পাউডার মাখিয়ে থাকেন। বেবীর মাও ব্যতিক্রম ছিলেন না। তিনি মাখাতেন বেবী জনসন পাউডার। ছোট্ট বোনটির সারা দেহে অতিমাত্রায় বেবী জনসন পাউডার দেখে বড় ভাই নাম দিলেন বেবী। সেই থেকেই তিনি বেবী নামে পরিচিত। নেহাত প্রয়োজন না হলে তিনি নিজের আকিকার সময়ে রাখা আফরোজা নাহার মাহফুজা খাতুন নামটি ব্যবহার করতেন না। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় অনার্সসহ এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।
বেবীর সঙ্গে আমার পরিচয় ১৯৬৬ সালে। তার বাবা আবদুল মওদুদ তখন পাকিস্তান সরকারের আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব। আবদুল মওদুদও রাওয়ালপিন্ডিতে থাকতেন এবং ইসলামাবাদে গিয়ে অফিস করতেন। এই দুই শহরকে বলা হতো 'টুইন সিটিস'। আমি তখন করাচির দৈনিক ডন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার। করাচি ও রাওয়ালপিন্ডিতে বাংলা স্কুল ছিল। কচিকাঁচার মেলার পরিচালক রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই আমাকে করাচিতে মেলার একটি শাখা গড়ার কথা বললেন। করাচির বাংলা বালক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুর রহমান তালুকদার, বাংলা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষয়িত্রী খায়রুন্নেসা আশরাফ এবং আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সুহৃদ এবিএম সাখাওয়াত উল্লাহর সহযোগিতায় আমরা করাচিতে মেলার একটি শাখা গঠন করলাম। দাদাভাই স্ত্রী 'বেগম' সম্পাদিকা নূরজাহান বেগমকে নিয়ে করাচি সফরে গেলেন। তখনই বেবী মওদুদের সঙ্গে আমার যোগাযোগ হয়। বেবীও রাওয়ালপিন্ডিতে মেলার একটি শাখা করতে চেয়েছিলেন; কিন্তু পারেননি।
আরেকটি ঘটনায় বেবীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক দৃঢ় হয়। করাচি ও রাওয়ালপিন্ডিতে বাংলা স্কুল থাকলেও করাচি বা লাহোর স্কুল মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বাংলা মাধ্যমে পরীক্ষাদানের স্বীকৃতি না দেওয়ায় ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। বাংলা মাধ্যমে পরীক্ষাদানের স্বীকৃতির দাবিতে করাচির পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র সমিতি আন্দোলন শুরু করে। এর নেতৃত্ব দেন সাধারণ সম্পাদক এবিএম সাখাওয়াত উল্লাহ। একই দাবিতে বেবী মওদুদের নেতৃত্বে রাওয়ালপিন্ডির পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র কাউন্সিলও আন্দোলনে নামে। করাচির আন্দোলনের সংবাদ আমি ডনে প্রকাশ করতাম। ওই সময় বেবী সাখাওয়াত উল্লাহকে চিঠি লিখে তাদের আন্দোলনের খবরাখবর জানাতেন। কিন্তু সেখানকার পত্রপত্রিকায় এগুলো ছাপা হতো না। এই আন্দোলনে আমার সমর্থনের কথা সাখাওয়াত উল্লাহর কাছ থেকে জানতে পেরে বেবী আমাকে চিঠি লিখে অনুরোধ জানালেন তাদের প্রতি সমর্থনের হাত বাড়ানোর জন্য। এরপর প্রায়ই তার সঙ্গে টেলিফোনে কথা হতো। অবশেষে ১৯৬৬ সালের ১৩ এপ্রিল করাচি বোর্ডের সচিব এইচ এইচ সিদ্দিকি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র সমিতিকে জানালেন, বাঙালি ছাত্রছাত্রীরা প্রশ্নের উত্তর বাংলায় লিখতে পারবে। 'ওদের দাবি তো মানল, কিন্তু লাহোর বোর্ড তো কিছু বলছে না'_ অস্থিরচিত্তে এই মন্তব্য করে ফোনে বেবী বললেন, 'আপনি আমাদের কথা লিখুন।' আমি জানতাম, এ ধরনের একটি সিদ্ধান্ত শুধু একটি বোর্ডের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে না। আমার দৃঢ় বিশ্বাস 'পিন্ডির বাঙালি ছাত্রছাত্রীদের দাবিও মেনে নেবে', এই বলে বেবীকে আশ্বস্ত করলাম। আমার অনুমান সঠিক ছিল। লাহোর বোর্ডের চেয়ারম্যান এ জি বাট ১৯৬৬ সালের ২৮ এপ্রিল করাচির পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র সমিতিকে জানালেন, তার বোর্ড চাকলালা কেন্দ্রে বাংলা মাধ্যমে পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই খবর পেয়ে বেবী ফোন করলেন সাখাওয়াত উল্লাহ ও আমাকে। 'শাহরিয়ার ভাই, আমাদের জয় হয়েছে,' আনন্দে উচ্ছ্বসিত বেবী মওদুদ বললেন, 'এবারে সারা পশ্চিম পাকিস্তানে বাংলার মাধ্যমে পরীক্ষাদানের নিয়ম চালু করতে হবে।'
বেবী মওদুদ ছিলেন কট্টর বাঙালি ও জাতীয়তাবাদী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে তিনি ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ওই সময়েই সতীর্থ শেখ হাসিনার সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে। দু'জন দুই ধারার রাজনীতি করলেও তাদের সম্পর্কে কখনও ফাটল ধরেনি। আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনা নির্বাসন থেকে দেশে ফিরে এলে বেবীই ছিলেন তার সার্বক্ষণিক বন্ধু। 'সারাদিন রাজনীতি করার পর সন্ধ্যায় হাসিনা কারও সঙ্গে গল্প করতে চান,' বেবী বলতেন। 'কিন্তু রাতের বেলায় তো কোনো পুরুষ রাজনৈতিক নেতা বা কর্মীর সঙ্গে আড্ডা মারতে পারেন না। এ কারণেই আমি তাকে সঙ্গ দিতাম। কোনো কোনো দিন ভোর পর্যন্ত গল্প চলত।' তখনই বেবী মওদুদ ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন। শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিল তার আত্মিক সম্পর্ক। বেবী মওদুদের প্রতিও শেখ হাসিনার বিশ্বাস ও আস্থা ছিল প্রশ্নাতীত, রক্তের চেয়েও বিশ্বস্ত। 'ক্ষমতার কাছের লোকজনের দাপটে সবাই অসহায় হয়ে যায়'_ শেখ হাসিনার উদ্ধৃতি দিয়ে তার বিশেষ সহকারী (তথ্য) মাহবুবুল হক শাকিল জানান, 'অথচ বেবী মওদুদ রিকশায় চলাচল করতেন। তিনি ছিলেন লোভ-লালসার ঊধর্ে্ব।'
স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের সাংবাদিক হাসান আলীর সঙ্গে বেবীর বিয়ে হয়। হাসান আলী দৈনিক সংবাদের একজন তুখোড় রিপোর্টার ছিলেন। পরে তিনি চিফ রিপোর্টার, নগর সম্পাদক ও বার্তা সম্পাদক হয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন। ১৯৭৫ সালে চারটি বাদে সব পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেলে সাংবাদিকতা ছেড়ে আইন পেশায় মনোনিবেশ করেন। ১৯৮৫ সালের এপ্রিল মাসে তিনি ইন্তেকাল করেন। তাদের দুই ছেলে। হাসান আলীর মৃত্যুর পর বেবীর জীবন-সংগ্রাম শুরু হয়। কিন্তু নীতি ও আদর্শ থেকে তিনি কখনও বিচ্যুত হননি।
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বেবী মওদুদের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। মমতাও বাংলাদেশ ও বেবীকে খুব ভালোবাসতেন। প্রথমবার ঢাকা আসেন ১৯৯৯ সালে। তখন (২৪ জুন) বেবী মওদুদ তার সম্মানে দুপুরের খাওয়ার আয়োজন করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবে। আমাকেও আমন্ত্রণ জানালেন। এই প্রথম মমতার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ। এর পর আরও দু'বার তার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছে কলকাতায়। অনেকক্ষণ ছিলেন তিনি প্রেস ক্লাবে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ছাত্রী। তিনি শ্রদ্ধা জানালেন আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি। বেবীর নিমন্ত্রণে মাছ-ভাত খেয়ে খুব তৃপ্তি লাভ করেন। এ বছরের বইমেলায় আবার এসেছিলেন তিনি। কিন্তু আর সবাই ছিলেন, ছিলেন না শুধু বেবী মওদুদ।
বই লেখা ছিল বেবী মওদুদের আরেকটি নেশা। তিনি শিশুদের জন্য বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। সেগুলো হলো : দীপ্তর জন্য ভালবাসা, পবিত্র রোকেয়া পাঠ, টুনুর হারিয়ে যাওয়া, শান্তর আনন্দ, এক যে ছিল আনু, মুক্তিযোদ্ধা মানিক, আমার রোকেয়া, কিশোর সাহিত্য সমগ্র, আবু আর তার এবং জল দিয়ে লিখি। তার রচিত অন্য পুস্তকগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো : মনে মনে (ছোট গল্প), শেখ মুজিবের ছেলেবেলা, দুঃখ-কষ্ট ভালবাসা, পাকিস্তানে বাংলাদেশের নারী পাচার, গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও তার পরিবার ইত্যাদি। আমাজান ডটকমে তার পাঁচটি বইয়ের উল্লেখ রয়েছে। সেগুলো হলো : আমার রোকেয়া, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণ, নিভৃত যত্নে, রোকেয়া : চিরন্তনী প্রতিকৃতি এবং সুশি পুষি টুশি।
বেবী মওদুদের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার প্রতি রইল আমার প্রাণঢালা শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তার শিক্ষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস ড. আনিসুজ্জামানের ভাষায় বলতে চাই, বেবী মওদুদের পেশার প্রতি নিষ্ঠা ও মানুষের প্রতি কর্তব্যবোধ যেন অনুকরণীয় হয়। তাহলেই তার আত্মা শান্তি পাবে।

প্রবীণ সাংবাদিক, কলাম লেখক ও বিশ্লেষক ইন্টারন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ)
ঘরের মাঠে মস্কোয় বিধ্বস্ত রিয়াল

ঘরের মাঠে মস্কোয় বিধ্বস্ত রিয়াল

রাশিয়া নামক এক জুজু বুড়ির ভয় ভর করেছে রিয়ালের ওপর। ...

হারাচ্ছে জমি, অস্তিত্ব সংকটে সমতলের আদিবাসীরা

হারাচ্ছে জমি, অস্তিত্ব সংকটে সমতলের আদিবাসীরা

'জমি চাই মুক্তি চাই' স্লোগানে ১৮৫৫ সালে সাঁওতাল নেতা সিধু, ...

'কোল্ড আর্মসে' কক্সবাজার সৈকতে দুর্ধর্ষ হামলার ছক

'কোল্ড আর্মসে' কক্সবাজার সৈকতে দুর্ধর্ষ হামলার ছক

দুনিয়াব্যাপী কমান্ডো নাইফ এবং বিশেষ ধরনের ছুরি ও চাকু 'কোল্ড ...

সহিংসতা রোধে ইসিকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ আওয়ামী লীগের

সহিংসতা রোধে ইসিকে সতর্ক হওয়ার পরামর্শ আওয়ামী লীগের

দেশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্ট সহিংসতা ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) আরও ...

গ্রেফতার হামলা বন্ধে সিইসির হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি

গ্রেফতার হামলা বন্ধে সিইসির হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি

প্রতীক বরাদ্দের পরও বিএনপির নেতাকর্মীদের হয়রানি, গ্রেফতার ও সন্ত্রাসী হামলার ...

বৃহত্তম সমাবেশ যুক্তরাজ্যে

বৃহত্তম সমাবেশ যুক্তরাজ্যে

১ আগস্ট ১৯৭১। যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের ট্রাফালগার স্কয়ারে দুপুর থেকেই ...

চট্টগ্রামে আমীর খসরুর প্রচারে হামলায় আহত ৫

চট্টগ্রামে আমীর খসরুর প্রচারে হামলায় আহত ৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর গণসংযোগে হামলার ...

২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েন

২৪ থেকে ২৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সেনা মোতায়েন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামী ...