ছবির জন্য যুদ্ধ করি...

প্রকাশ: ২০ মার্চ ২০১৪      

২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস যুগে যুগে সেলুলয়েডে উঠে এসেছে নানা মাত্রায়। এর মধ্যে দেশের তিনজন অভিনয়শিল্পী বলেছেন যুদ্ধদিনের ছবিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা, একখানা ভালো ছবির জন্য তাদের যুদ্ধের কথা...

বাঙালির হাজার বছরের সেরা অর্জন মুক্তিযুদ্ধ। তাই স্বাভাবিকভাবেই যুদ্ধের গল্প এ দেশের চলচ্চিত্রে উঠে আসার কথা। কিন্তু হাতেগোনা কয়েকটি চলচ্চিত্র ছাড়া আমাদের চলচ্চিত্রে মুক্তিযুদ্ধের উজ্জ্বল প্রতিফলন নেই। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, গত বিয়ালি্লশ বছরে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিয়ালি্লশটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়নি। তবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশ প্রামাণ্যচিত্র নির্মিত হয়েছে। আমাদের গর্ব করার মতো বিষয় হলো, মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই আমাদের দেশে স্বাধীনতার ইঙ্গিত নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।
একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আবেগ ও অনুভূতি একটু বেশিই থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। যাই হোক ১৯৭৩ সালে প্রখ্যাত পরিচালক খান আতাউর রহমান নির্মাণ করেন 'আবার তোরা মানুষ হ'। মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে নির্মিত এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে আমি প্রথম যুদ্ধের ছবিতে অভিনয় করি। এই ছবিতে অভিনয় যখন করেছি তখন মনে হয়েছে, দেশে বোধহয় এখনও মুক্তিযুদ্ধ হচ্ছে। আমার নিজের যুদ্ধের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অভিনয় করেছিলাম। এরপর থিয়েটার
আন্দোলনে যুক্ত হই। সেই থেকে টিভি ও মঞ্চের বিভিন্ন প্রতিবাদী নাটকে অভিনয় করেছি। এরপর ৮৯ সালের দিকে তানভীর মোকাম্মেল 'নদীর নাম মধুমতি' চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য বললেন। গল্পটি ভালো লাগায় রাজি হলাম। কাজ করলাম। ঐ যে যুদ্ধের গল্পে ছবি নির্মাণ করতে হলে পরিচালককে গাঁটের টাকা খরচ করতে হয়। তখন তানভীর মোকাম্মেলেরও একই অবস্থা। ছবির কাজ শুরু করার পর আর শেষই হচ্ছে না। এই একদিন কখনও এক বেলা এভাবেই অনেকদিন কাজ করে কাজটি শেষ করেছিলাম আমরা সবাই। তারপর অনেকদিন কোনো মুক্তিযুদ্ধের ছবিতে কাজ করা হয়নি। এরপর ২০১০ সালের শেষের দিকে মোরশেদুল ইসলামের 'আমার বন্ধু রাশেদ' ছবিতে অভিনয় করি। এতে রাশেদের বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলাম আমি। সেই বছর নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চুর 'গেরিলা'র কয়েকটি দৃশ্যে আমি অভিনয় করেছিলাম। অন্যদিকে গত বছর বদরুল আনাম সৌদের 'খন্দগল্প৭১' এর কাজ করি। এই কাজটি যখন আমরা করছি তখন আমরা জানি যে এটা স্বাধীনতা দিবস বা বিজয় দিবসের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে। কিন্তু যখন শুনলাম যে কাজটি নাটক হবে না সিনেমা হবে, তখন বেশ অবাক হয়েছিলাম।
মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে কাজ করতে গেলে নিজের ভেতরে একধরনের ভালোলাগা কাজ করে। কিন্তু মাঝেমধ্যে অনেক কাজ দেখলে কষ্ট লাগে। আমি সবশেষে বলতে চাই, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমাদের আরও অনেক কাজ করা উচিত। আমরা যদি সঠিক ভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের নবীন প্রজন্মের কাছে না দিয়ে যেতে পারি, তাহলে আমরাই তার জন্য দায়ী থাকব।

ববিতা
মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহঙ্কার। এমন একটি ঐতিহ্যবাহী অধ্যায় নিয়ে অনেক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন গুণী পরিচালকেরা। ইতিহাসের দলিল আর মানবতার প্রামাণ্যচিত্র সংবলিত এসব চলচ্চিত্র নতুন প্রজন্মের কাছে যুগে যুগে আরাধ্য হয়ে থাকবে। কালজয়ী সেসব পরিচালকের মধ্যে অনেকে গত হয়েছেন। রয়ে গেছে তাদের অমর সৃষ্টি। বাংলা ভাষাভাষী এবং বাংলাদেশের মানুষের কাছে তারা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। জহির রায়হান, খান আতাউর রহমান, আলমগীর কবির, নারায়ণ ঘোষ মিতা, সুভাষ দত্তের মতো অমর নির্মাতাদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবিতে অভিনয় করার সুযোগ হয়েছে আমার। বিচিত্র সব ছবিতে অভিনয় করলেও মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্রের প্রতি আমার ঝোঁক ছিল একটু বেশি। যে কারণে ক্যারিয়ারের তুমুল জনপ্রিয়তার সময়ে আমি এ ধরনের ছবিতে অভিনয় করেছি। অনেকে অনেক কথা বলেছেন; শুনিনি।
মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে নির্মিত মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম ছবি চাষী নজরুল ইসলামের 'ওরা ১১ জন'। দ্বিতীয় ছবি চলচ্চিত্রকার সুভাষ দত্তের 'অরুণোদয়ের অগি্নসাক্ষী'। ১৯৭২ সালে এটি মুক্তি পায়। এর মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবিতে আমার অভিষেক। আমার সহশিল্পী ছিলেন উজ্জ্বল ও আনোয়ার হোসেন। একটা ঘটনার কথা বলি। 'অরুণোদয়ের অগি্নসাক্ষী'র শুটিংয়ের সময় গরম ছিল। কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের পাশে শুটিং ছিল। পাহাড়ের পাশ থেকে আমাকে দৌড়ে আসতে হবে। দৃশ্যটিতে আমার সঙ্গে ছিলেন আহমেদ শরীফ। দত্তদা [সুভাষ দত্ত] বললেন, 'তুমি সংলাপ বলতে বলতে অজ্ঞান হয়ে যাবে।' জামান ভাই ক্যামেরা চালু করতেই আমি চিৎকার করে বললাম, 'এই জীবন আমি আর রাখব না'। বলে দৌড়ে এসে মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেলাম। দত্তদা তো চিৎকার করে উঠলেন_ 'অসাধারণ, অসাধারণ'! আমি যে সত্যি সত্যি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছি_ এটা আর কেউই বুঝতে পারছিলেন না। একটু সময় যাওয়ার পর সবাই খেয়াল করলেন, আমি নড়ছি না। অমনি কেউ আমার মাথায় পানি ঢেলেছেন, কেউ চিকিৎসকের খোঁজে ছুটেছেন। কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর দেখি, সবাই আমাকে ঘিরে বসে আছেন। সত্যি বলতে, গল্প ও চরিত্রের সঙ্গে আমি এতটাই মিশে গিয়েছিলাম যে, আমি নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারিনি। সেই সঙ্গে আবহাওয়া এত উষ্ণ ছিল যে, মাথা ঘুরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। 'অরুণোদয়ের অগি্নসাক্ষী' ছবিতে কাজ করেই কিন্তু জীবনের প্রথম পুরস্কার পেলাম। সেই সঙ্গে এ ছবিই আমাকে এনে দিল অন্যরকম এক পরিচিতি। দত্তদার এ ছবিতে অভিনয় করার পর মুক্তিযুদ্ধের আরও ছবির অফার আসতে শুরু করল।
এর পরপরই তখনকার সুপারহিট পরিচালক নারায়ণ ঘোষ মিতা 'আলোর মিছিল' ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিলেন। এরপরই আমার কাছে কিছু 'পরামর্শ' আসতে শুরু করল। চলচ্চিত্রের ববিতা
কিছু মানুষ আমাকে যুক্তি দিয়ে জানালেন, এ ছবিতে যেন আমি অভিনয় না করি। তারা আমাকে বোঝালেন, 'আলোর মিছিল' ছবিতে নাকি আমার চরিত্র ছোট্ট ও শেষে মারা যেতে হবে। এতে নাকি আমার ইমেজ ক্ষুণ্ন হতে পারে! আমি পড়ে গেলাম দ্বিধা-দ্বন্দ্বে। নারায়ণদা এসে বললেন, 'দেখো, এই ছবিতে তোমার যে চরিত্র, সেটার গ্রহণযোগ্যতা অন্য রকম। তুমি যদি করতে না চাও, তাহলে আমি কাকে নেব?' দাদার কথা শুনে সুচন্দা আপা বললেন, 'দাদা যখন নিজে বলছেন, তাতে মনে হয় এ কাজটা করলে তোমার ইমেজ ক্ষুণ্ন হবে না।' রাজ্জাক ভাইও একই পরামর্শ দিলেন। অবশেষে রাজি হলাম। ছবিতে গ্গি্নসারিন ব্যবহার ছাড়াই আমাকে কাঁদতে হয়েছে। ছবিটিতে আমার সহশিল্পীদের মধ্যে আরও ছিলেন ফারুক, রাজ্জাক ও সুজাতা।
১৯৭৩ সালে মুক্তি পায় 'ধীরে বহে মেঘনা' ছবিটি। পরিচালনা করেছেন চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবির। এটি ছিল তার পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্। এটি ১৯৭১ সালের পটভূমিতে নির্মিত তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। ছবিতে আমার সহশিল্পী ছিলেন বুলবুল আহমেদ ও আনোয়ার হোসেন। এ ছবিটিও আমার বেশ পছন্দের। অনেকের প্রিয় ছবির তালিকায় এ ছবিটি আছে।
একই সালে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী অবক্ষয় নিয়ে খান আতাউর রহমান নির্মাণ করেন 'আবার তোরা মানুষ হ' ছবিটি। এ ছবিতে অভিনয়ও আমার জন্য ভীষণ গর্বের। আমার সহশিল্পী ছিলেন ফারুক, আসাদ, উজ্জ্বল। ছবিটি বাচসাস [বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি] পুরস্কার লাভ করে। এ ছবির 'এক নদী রক্ত পেরিয়ে' গানটি এখনও অনেকের মুখে মুখে ফেরে। জহির রায়হানের 'লেট দেয়ার বি লাইট'-এর শুটিং হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই। জহির ভাইয়ের ইচ্ছা ছিল, ছবিটি তিনি দেশে ও দেশের বাইরে মুক্তি দেবেন। সব ছবির তিনি চিত্রনাট্য করেন। কিন্তু এ ছবির লিখিত কোনো স্ক্রিপ্ট করেননি। এর সবকিছু তার মাথায় ছিল। লাইট করলেন, নিজে ক্যামেরা চালালেন। তিনিই সবকিছু করলেন। ৮০ শতাংশ কাজ হয়েছিল ছবিটির। শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি 'লেট দেয়ার বি লাইট'। অনেক যত্ন নিয়ে কাজটি শুরু করেছিলেন জহির রায়হান। আমিও মনপ্রাণ উজাড় করে দিয়েছিলাম ছবিটির জন্য।


তৌকীর আহমেদ
মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল ৫ বছর। এ বয়সী শিশুর স্মৃতিতে যুদ্ধের গাথা বা যুদ্ধের ভয়াবহতা খুব বেশি মনে থাকার কথা নয়। কেননা, বোঝার মতো বয়স যেমন এটা নয়, তেমনি এ বয়সী শিশুদের সব ধরনের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত রাখে বাবার আদর আর মায়ের আঁচল। আমার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হওয়ার কথা নয়। কিন্তু সেই ব্যতিক্রমই হয়েছে। যুদ্ধের সময় এমন এক পরিবেশ পরিস্থিতির মধ্যে ছিলাম, যা আজও স্মৃতিতে ভাস্বর। সেই কারণেই পরিণত বয়সে আমি প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাণ করি মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে। 'জয়যাত্রা' নামের সেই ছবিটি সর্বমহলের প্রশংসা অর্জন করলেও ব্যবসায়িকভাবে আমি সফল হতে পারিনি। মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে তানভীর মোকাম্মেল 'নদীর নাম মধুমতি' নির্মাণ করার সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে আমি এক বাক্যে রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। সম্ভবত ১৯৮৯ সালের দিকে এ ছবির কাজ করেছিলাম। সেই সময়ে যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে একটি ছবি নির্মাণ করতে যে পরিমাণের অর্থের প্রয়োজন ছিল, সেই পরিমাণের বাজেট তানভীর ভাইয়ের কাছে ছিল না। যে কারণে বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা জোগাড়
করে ধীরে ধীর ছবিটির কাজ শেষ করেছেন। যে কারণে ছবিটি শেষ করতে অনেক সময় লেগেছিল। মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে নির্মিত এই ছবিতে যারা কাজ করেছেন তারা প্রত্যেকেই বেশ পরিশ্রম করেছেন। ছবিতে অভিনয়ের জন্য আমাকে মাঝ নদীতে নৌকা চালাতে হয়েছে। বলা যেতে পারে, আমার 'জয়যাত্রা' নির্মাণের কিছু রসদও পেয়েছিলাম 'নদীর নাম মধুমতি' থেকে। জয়যাত্রা নির্মাণের আগে আমার প্রায়ই মনে হতো, যুদ্ধের সময় আমি যদি যুবক থাকতাম, তাহলে কি আমি যুদ্ধে যেতাম? অনেকেই তো যায়নি বা যেতে পারেনি। আমি কি যেতাম? প্রতিবারই মনে হয়েছে হ্যাঁ, আমি যেতাম। যুদ্ধ করতে পারিনি এই দুঃখবোধ আমাকে প্রায়ই পীড়া দিত। কিন্তু জয়যাত্রা নির্মাণের পর সেই পীড়া কিছুটা কমেছে। কেননা 'জয়যাত্রা'ই আমার মুক্তিযুদ্ধ। স্বাধীনতার পরের প্রজন্মের একজন হিসেবে এটাই আমার উপলব্ধি। আর একটা কথা বলে রাখি, কখনও পর্যাপ্ত বাজেট আর সাপোর্ট পেলে এই গল্পটি নিয়েই আমি নির্মাণ করব আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের ছবি। জয়যাত্রা ওই অর্থে বীরের গাথা নয়, তবে এটা ছিল ত্যাগের গল্প। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ছবি নির্মাণের জন্য আমাদের কারিগরি দিক থেকে অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে আমাদের মেধার সংকটও। মেধা সংকটের কারণেই কারিগরি সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে পারছি না আমরা। সবশেষে একটি কথা বলতেই হয়, জয়যাত্রা নির্মাণের জন্য আমি বরেণ্য ঔপন্যাসিক, নির্মাতা আমজাদ হোসেনের কাছে কৃতজ্ঞ। কারণ তার 'অবেলায় অসময়ে' উপন্যাসটি নিয়ে ছবিটি নির্মাণের অনুমতি দিয়েছিলেন। এ ছাড়াও কৃতজ্ঞ মরহুম রফিকুল বারী চৌধুরীর কাছে। তার অসাধারণ ফটোগ্রাফি ছবিটিকে অনেক প্রশংসা এনে দিয়েছে।

পরবর্তী খবর পড়ুন : এক সুরে বাঁধব মোরা

দীর্ঘ সময় এয়ারফোন ব্যবহারে যেসব ক্ষতি হয়

দীর্ঘ সময় এয়ারফোন ব্যবহারে যেসব ক্ষতি হয়

আজকাল এয়ারফোন ব্যবহার আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যয়াম ...

সাতক্ষীরায় ৭৪ জন গ্রেফতার

সাতক্ষীরায় ৭৪ জন গ্রেফতার

সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ...

ড. কামাল হোসেনের দুঃখ প্রকাশ

ড. কামাল হোসেনের দুঃখ প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে সাংবাদিকদের সঙ্গে শুক্রবারের ঘটনার জন্য ...

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি অস্ট্রেলিয়ার

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি অস্ট্রেলিয়ার

অস্ট্রেলিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিম জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত ...

নজরুলকে নিয়ে প্রামাণ্যচিত্রের শুটিং চুরুলিয়ায়

নজরুলকে নিয়ে প্রামাণ্যচিত্রের শুটিং চুরুলিয়ায়

পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলের বড় পোস্ট অফিসের ঠিক উল্টোদিকের ফুটপাত। চারপাশে ব্যস্ত ...

ড. কামালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

ড. কামালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের ...

দলগুলোকেই অঙ্গীকার করতে হবে

দলগুলোকেই অঙ্গীকার করতে হবে

নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সব সময়ই অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ...

এভাবে চললে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে

এভাবে চললে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে

সবাই চাচ্ছে সহিংসতা বন্ধ হোক। এভাবে সহিংসতা হলে পুরো নির্বাচনী ...