বাগানে স্থায়ীভাবে চাষ হয় না বলে সচরাচর চোখে পড়ে না। সাধারণত টবেই চাষ। ফুলের মৌসুমে বিভিন্ন নার্সারিতে দেখা যায়। নজরকাড়া সৌন্দর্যের কারণে হাইড্রেনজিয়ার কদর বাড়ছে প্রতিনিয়ত। গুল্ম শ্রেণীর গাছ, প্রজাতিভেদে এক মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে, প্রস্টম্ফুটনকাল ব্যতীত বাকি সময় নিষ্প্রভ, মৃতপ্রায়। পাতা ডিম্বাকৃতি ও খসখসে। আমাদের দেশে বসন্তের শেষভাগ থেকে ফুল ফুটতে শুরু করে। ফুল রঙ বদলানো স্বভাবের, ফোটার সময় এক রকম, দিন গড়ালে আরেক রকম। মঞ্জরি গুচ্ছবদ্ধ, বেশ বড়, আয়তাকার, পাপড়ির সংখ্যা চার বা ততোধিক, মসৃণ, পুরু, দীর্ঘস্থায়ী। আমাদের দেশে সাদা-গোলাপি মেশানো 'হাইড্রেনজিয়া হর্টেনসিস'
প্রজাতির ফুল সহজলভ্য। এটি জাপানের 'ঐুফৎধহমবধ সধপৎড়ঢ়যুষষধ্থর সঙ্কর। কাটিং ও মূলের গেড় থেকে বংশবৃদ্ধি। অল্প রোদ, ছায়াঘর ও স্যাঁতসেঁতে জায়গা পছন্দ।
কিন্তু শীতপ্রধান অঞ্চলে হাইড্রেনজিয়ার রঙের মেলা অনেক দীর্ঘ। হাইড্রেনজিয়া গনের প্রায় ৮০ প্রজাতির সিংহভাগই ঠাণ্ডাপ্রবণ এলাকায় সহজলভ্য। প্যাননি ম্যাক জাতের গাছগুলো জন্মে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায়। পাপড়ি সাদা আর নিলচে-বেগুনি মেশান। ফরএভার পিঙ্ক জাতের গাছ দুই থেকে তিন ফিট উঁচু হয়, বাড়ে ধীরে। গাঢ়-গোলাপি রঙ। গাঢ়-লাল রঙের গেল্গায়িং এমর্বাস জার্মানিতে সহজলভ্য। বল্গু-ওয়েভ কঠিন গুল্ম শ্রেণীর, ৬-৭ ফিট উঁচু হয়। নাইকো বল্গু অসম্ভব সুন্দর, দূর থেকেই নজর কাড়ে। জাপানের পার্পল টায়ার্স একটু ভিন্ন গড়নের।। জন্মস্থান চীন-জাপান।



মন্তব্য করুন