জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার পড়াশোনা :পর্ব-৯২

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম গিরির নাম কী?

বাংলা প্রথম পত্র

প্রকাশ: ১০ জুন ২০১৪      

মো. সুজাউদ দৌলাপ্রভাষকরাজউক উত্তরা মডেল কলেজঢাকা

শিক্ষার্থী বন্ধুরা, প্রীতি ও শুভেচ্ছা নিও। আজকের পাঠশালায় তোমাদের জন্য থাকছে গদ্য : অতিথির স্মৃতি (গল্প) থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর এর ওপর আলোচনা। পাঠশালায় প্রকাশিত কপিগুলো সংগ্রহে রেখে নিয়মিত অনুশীলন করবে।
(গত আলোচনার পর থেকে)
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর
গদ্য :বাঙালির বাংলা (প্রবন্ধ)
প্রশ্ন ৩০। কাজী নজরুল ইসলাম কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর :বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে।
প্রশ্ন ৩১। 'বিদ্রোহী' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
উত্তর :'বিজলী' পত্রিকায়।
প্রশ্ন ৩২। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম গিরির নাম কী?
উত্তর :হিমালয়।
প্রশ্ন ৩৩। বাঙালির কোন শক্তি একবারেই নেই বললেই চলে?
উত্তর :কর্মশক্তি।
প্রশ্ন ৩৪। রজোগুণ অর্থ কী?
উত্তর :রজোগুণ অর্থ হলো ক্ষাত্রশক্তি।
প্রশ্ন ৩৫। বাঙালি আজন্ম কোন শক্তিসম্পন্ন?
উত্তর :বাঙালি আজন্ম দিব্য শক্তিসম্পন্ন।
প্রশ্ন ৩৬। কী মানুষকে অন্ধকার পথে নিয়ে যায়?
উত্তর :অবিদ্যা।
গদ্য : বাঙালির বাংলা (প্রবন্ধ)
প্রশ্ন ১। বাংলা কেন মুনি-ঋষিদের নিকট পবিত্র ছিল?
উত্তর :বাংলার নৈসর্গিক সৌন্দর্য, ঐশ্বর্য ও মানুষের মনোভাবের কারণে এদেশ মুনি-ঋষিদের কাছে পবিত্র ও আকাঙ্ক্ষিত ছিল। বাংলার যেমন সম্পদ আর ঐশ্বর্য ছিল, তেমনি এর আবহাওয়াগত সুবিধাও ছিল। বাংলার মানুষের মনোভাব ছিল স্বাধীনতাকামী। ধর্ম প্রচারের মতো পবিত্র কর্মে এ রকম অনুকূল পরিবেশ সহযোগিতা করেছে। বাংলাদেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িকতাকে লালন করেছে। মুনি-ঋষি কিংবা ফকির-দরবেশরা নির্বিঘ্নে তাদের আদর্শ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারতেন। এসব কারণে বাংলা মুনি-ঋষিদের কাছে পবিত্র হয়ে ওঠে।
প্রশ্ন ২। বাঙালি কবে অসাধ্য সাধন করতে পারবে বলে লেখক মনে করেন?
উত্তর :লেখকের মতে, বাঙালি যেদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে 'বাঙালির বাংলা' সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করতে পারবে। কর্মবিমুখতা ও আলস্যের কারণে বাঙালি আজ দুর্গতির মধ্যে নিপতিত হয়েছে। তামসিকতায় আচ্ছন্ন হয়ে বাঙালির চেতনাশক্তি রহিত হয়ে পড়েছে। হারিয়ে ফেলেছে তাদের কর্মোদ্যম ও ক্ষাত্রশক্তি। লেখকের মতে যেদিন বাঙালি ঐক্যবদ্ধ হয়ে হাতে হাত মিলিয়ে বলতে পারবে 'বাঙালির বাংলা' সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করতে পারবে।
প্রশ্ন ৩। 'পরদেশি দস্যু ডাকাত' বলতে লেখক যাদের বুঝিয়েছেন, তাদের সম্পর্কে লেখ।
উত্তর : বিদেশি শাসক-শোষকদের লেখক 'পরদেশি দস্যু ডাকাত' বলে অভিহিত করেছেন। সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা এই দেশ ঐতিহাসিকভাবেই অনেক বিদেশি শক্তির লোভের শিকার হয়েছে। এ দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি যুগে যুগে বিদেশিদের প্রলুব্ধ করেছে। এ দেশে ব্যবসা ও জীবিকার সন্ধানে এসেছে ওলন্দাজ, দিনেমার, ফরাসি ও ইংরেজ জাতি। ইরানি, তুর্কি, পাঠান ও মুঘলরা এসেছেন শাসক হিসেবে। ইংরেজরা বেনিয়া থেকে শাসকে পরিণত হয়েছে। লেখক পরদেশি দস্যু ডাকাত বলতে এদেরকেই বুঝিয়েছেন।
প্রশ্ন ৪। 'হেথায় গ্রামে হয় আজানের সাথে শঙ্খ-ঘণ্টার ধ্বনি' এখানে লেখক কী বুঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর : এখানে বাংলাদেশের মানুষের অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বিশ্বাসী। এদেশ মুনি, ঋষি, যোগী, ফকির, দরবেশ, অলি, গাজিদের পবিত্র স্থান। এখানকার মানুষ শত শত বছর নিজস্ব সংস্কৃতি ও ধর্মবোধ জাগ্রত রেখে পাশাপাশি থাকলেও কোনো সমস্যা হয় না। আজানের ধ্বনির শব্দে মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি মিশে যায়। কেউ কারও ধর্মকে ছোট করে দেখে না। সবাই পারস্পরিক সহাবস্থানকে সম্মান করে।
[ বাকি অংশ প্রকাশিত হবে আগামীকাল ]