প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি

বাংলা

প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

মো. সুজাউদ দৌলা, সহকারী অধ্যাপক, (বাংলা) রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ তোমাদের বাংলা বইয়ের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করা হলো। প্রথমে নিজেরা চেষ্টা করবে, পরে সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলিয়ে নেবে।

(গত আলোচনার পর)

গদ্য : বীরের রক্তে স্বাধীন এ দেশ (প্রবন্ধ)


মুন্সী আবদুর রউফ ছিলেন ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিক। যুদ্ধ শুরু হলে অন্য বাঙালি সৈনিকদের মতো তিনিও যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল শত্রুদের মোকাবেলা করতে আবদুর রউফ বুড়িঘাট এলাকার চিংড়িখালের দু'পাশে অবস্থান নেন। পাকিস্তানি সৈন্যরা সাতটি স্পিডবোট আর দুটি মোটর লঞ্চ নিয়ে এগিয়ে আসে। যুদ্ধ শুরু হলে আবদুর রউফের অসামান্য কৌশলে অন্য মুক্তিযোদ্ধারা বেঁচে যান। একটা মেশিনগান হাতে নিয়ে তিনি একাই যুদ্ধ করতে থাকেন। একে একে সাতটি স্পিডবোট ডুবিয়ে দেন পাকিস্তানিদের। এমন সময় একটি গোলা এসে পড়ে তার ওপর। শহীদ হন মুন্সী আবদুর রউফ। আমাদের অর্জিত স্বাধীনতায় মুন্সী আবদুর রউফের অবদান অবিস্মরণীয়।

৫। প্রশ্ন : কোথায় সিপাহি মুন্সী আবদুর রউফ অন্তিম শয়ানে শায়িত আছেন?

উত্তর : বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে মুন্সী আবদুর রউফ ছিলেন অন্যতম। সিপাহি মুন্সী আবদুর রউফ রাঙামাটির বোর্ডবাজারে অন্তিম শয়ানে শায়িত আছেন, তিনি একজন বীরশ্রেষ্ঠ।

৬। প্রশ্ন : রুহুল আমিন কাদের হাতে শহীদ হয়েছিলেন, কীভাবে ?

উত্তর : রুহুল আমিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীরশ্রেষ্ঠ। পাকিস্তানি হানাদারদের এ দেশের কিছু মানুষ সাহায্য করেছিল, এদেরকে রাজাকার বলা হয়। এদের হাতেই শহীদ হন বীরযোদ্ধা রুহুল আমিন।

যেভাবে শহীদ হয়েছিলেন : ডিসেম্বরের ১০ তারিখ মুক্তিযোদ্ধাদের নৌজাহাজ পলাশ আর পদ্মা খুলনার দিকে যাচ্ছিল। এর কিছুদিন আগে তারা মংলাবন্দর দখল করেছিল। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে রুহুল আমিনও ছিলেন। জাহাজ বহর খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছে আসতেই একটা বোমারু বিমান জাহাজে বোমা ফেলে। রুহুল আমিন নদীতে ঝাঁপ দেন। সাঁতরে তীরে ওঠার চেষ্টা করেন। তীরের কাছে আসতেই রাজাকারদের সামনে পড়ে যান। রাজাকাররা তাকে হত্যা করে, এভাবেই শহীদ হন বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।

কবিতা : ফেব্রুয়ারির গান
লুৎফর রহমান রিটন

প্রশ্ন-১। কবি কোন 'মন ভোলানো সুর' সম্বন্ধে বলেছেন?

উত্তর :কবি যে 'মন ভোলানো সুর' সম্বন্ধে বলেছেন : কবি 'ফেব্রুয়ারির গান' কবিতায় নদী-সাগরের ঢেউগুলোর সুরের কথা বলেছেন। নদী সবসময় মাটির বুক চিরে সাগরের দিকে বয়ে চলে। নদীর এ বয়ে চলার পথে অসংখ্য ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। নদীর ঢেউগুলোর ধ্বনি কুলুকুলু। কবি মনে করেন মানুষ যেমন মনের ভাব প্রকাশে এ ঢেউয়ের সৃষ্টি করে। নদী সাগরের এ ঢেউ আমাদের কানে মধুর সুরের সৃষ্টি করে। মাতৃভাষা বাংলার মতোই নদী-সাগরের ঢেউয়ের সুর আমাদের আনন্দ দেয়।

[ বাকি অংশ প্রকাশিত হবে আগামীকাল ]