জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষার পড়াশোনা

বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০১৯

মো. মাসুদ খান

প্রধান শিক্ষক

ডেমরা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ

ডেমরা, ঢাকা

প্রিয় শিক্ষার্থীরা, আজ তোমাদের জন্য থাকছে অধ্যায় ১ থেকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর, যা তোমাদের জ্ঞানমূলক ও বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তর প্রদানে সহায়ক হবে। প্রথমে নিজেরা চেষ্টা করবে, পরে সঠিক উত্তরের সঙ্গে মিলিয়ে নেবে।

অধ্যায়ভিত্তিক পাঠ প্রস্তুতি

অধ্যায় : উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

১। প্রজনন কাকে বলে?

উত্তর :যে জটিল প্রক্রিয়ায় জীব তার প্রতিরূপ বা বংশধর সৃষ্টি করে, তাকে প্রজনন বা জনন বলে।

২। অযৌন জনন কাকে বলে?

উত্তর :যে প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্নধর্মী জনন কোষের মিলন ছাড়াই জনন সম্পন্ন হয়, তাকে অযৌন জনন বলে।

৩। অণুবীজথলি কাকে বলে?

উত্তর :উদ্ভিদের দেহকোষ পরিবর্তিত হয়ে অণুবীজবাহী একটি অঙ্গের সৃষ্টি করে। এদের অণুবীজথলি বলে।

৪। ফুল কাকে বলে?

উত্তর :প্রজননের জন্য রূপান্তরিত বিশেষ ধরনের বিটপকে ফুল বলে।

৫। সম্পূর্ণ ফুল কাকে বলে?

উত্তর :যে ফুলে পাঁচটি অংশ থাকে, তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে।

৬। অসম্পূর্ণ ফুল কাকে বলে?

উত্তর :যে ফুলে পাঁচটি অংশের মধ্যে একটি বা দুটি অংশ না থাকে, তাকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে।

৭। বৃতি কাকে বলে?

উত্তর :ফুলের সবচেয়ে বাইরের স্তবককে বৃতি বলে।

৮। পুষ্পমঞ্জরি কাকে বলে?

উত্তর :কাণ্ডের শীর্ষমুকুল বা কাক্ষিক মুকুল থেকে উৎপন্ন একটি শাখায় ফুলগুলো বিশেষ একটি নিয়মে সাজানো থাকে। ফুলসহ এই শাখাকে পুষ্পমঞ্জরি বলে।

৯। পরাগায়ন কাকে বলে?

উত্তর :ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগ রেণু একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে।

১০। নিষিক্তকরণ কাকে বলে?

উত্তর :একটি পুংগ্যামেট অন্য একটি স্ত্রী গ্যামেটের সঙ্গে পরিপূর্ণভাবে মিলিত হওয়াকে নিষিক্তকরণ বলে।

১১। ফল কাকে বলে?

উত্তর :নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে, তাকে ফল বলে।

১২। টেস্টা কাকে বলে?

উত্তর :বীজত্বকের বাইরের অংশকে টেস্টা বলে।

১৩। টেগমেন কাকে বলে?

উত্তর :বীজত্বকের ভেতরের অংশকে টেগমেন বলে।

১৪। অঙ্কুরোদ্গম কাকে বলে?

উত্তর :বীজ থেকে শিশু উদ্ভিদ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঙ্কুরোদ্গম বলে।



অনুধাবনমূলক প্রশ্ন



১। টিউবার বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ম্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে। কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে। এগুলো দেখতে চোখের মতো। তাই এদের চোখ বলে। প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যেমন আলু।

২। রাইজোম বলতে কী বোঝায়?

উত্তর : মাটির নিচে এরা সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। কাণ্ডের মতো এদের পর্ব, পর্বসন্ধি স্পষ্ট। পর্বসন্ধিতে শল্ক্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল জন্মে। এরাও খাদ্য সঞ্চয় করে মোটা ও রসালো হয়। অনুকূল পরিবেশে এসব মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে আলাদা উদ্ভিদ উৎপন্ন করে, যেমন আদা।

৩। চুপড়ি আলুকে বুলবিল বলা হয় কেন?

উত্তর : কোনো কোনো উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি যথাযথভাবে না হয়ে একটি পিণ্ডের মতো আকার ধারণ করে। এদের বুলবিল বলে। চুপড়ি আলু এর কাক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি যথাযথভাবে না হয়ে একটি পিণ্ডের মতো আকার ধারণ করে। এ জন্য চুপড়ি আলুকে বুলবিল বলা হয়। এসব বুলবিল কিছুদিন পর গাছ থেকে খসে মাটিতে পড়ে এবং নতুন গাছের জন্ম দেয়।

[ বাকি অংশ প্রকাশিত হবে আগামীকাল ]