মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন

প্রভাষক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ

সিদ্ধেশ্বরী কলেজ, ঢাকা

প্রিয় শিক্ষার্থীরা শুভেচ্ছা নিও। আজ তোমাদের হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্রের হিসাববিজ্ঞান পরিচিতি অধ্যায়ের বহুনির্বাচনী প্রশ্নের উত্তরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি নিয়ে আলোচনা করছি।

হিসাবরক্ষণের প্রধান উদ্দেশ্য- লেনদেন লিপিবদ্ধ করা।

হিসাবরক্ষণ মূলত দুই ধরনের- ক. একতরফা দাখিলা হিসাবরক্ষণ খ. দুই তরফা দাখিলা হিসাবরক্ষণ।

তুলনাযোগ্যতা হিসাববিজ্ঞানের একটি- বৈশিষ্ট্য।

হিসাববিজ্ঞান- একটি তথ্য পদ্ধতি।

IASB একটি আন্তর্জাতিক- হিসাব সংস্থা।

হিসাববিজ্ঞানের বিভিন্ন ভাবমূর্তিকে ছয়টি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন- আহমেদ বেলকেওয়াই।

ব্যবস্থাপক হিসাববিজ্ঞান- অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবহারকারী।

উদ্ভাবনকালে হিসাববিজ্ঞানের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে- ইংল্যান্ডে ও আয়ারল্যান্ডে।

প্রতিটি লেনদেনের দুটি পক্ষ দাতা (ডেবিট); গ্রহীতা (ক্রেডিট)

প্রতিটি হিসাব খাত দুটি ভাগে বিভক্ত হবে- বামদিকে ডেবিট ও ডানদিকে ক্রেডিট।

ডেবিট শব্দটি উৎপন্ন হয়েছে ল্যাটিন শব্দ উবনরঃঁস থেকে। এর আভিধানিক অবস্থা পাওনা আছে।

ক্রেডিট শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ঈৎবফৎব থেকে উৎপত্তি হয়েছে এবং ইংরেজি প্রতিশব্দ ক্রিডেন্স, যার অর্থ বিশ্বাস।

ডেবিট ও ক্রেডিট শব্দ দুটি হিসাবশাস্ত্রে প্রতীকী অর্থে ব্যবহূত হয়, অভিধানিক অর্থে নয়।

ডেবিট ও ক্রেডিট শব্দ দুটি প্রথম ব্যবহূত হয়েছে ইতালিতে।

আধুনিক হিসাববিজ্ঞান দুই তরফা দাখিলা/বকেয়া ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

হিসাববিজ্ঞানের সর্বাধুনিক পদ্ধতি হলো দুই তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

হিসাববিজ্ঞানের মূল উপাদান দুই তরফা দাখিলা পদ্ধতি নয় বরং লেনদেন।

বিজ্ঞান সম্মতভাবে ভবিষ্যতের জন্য যে ব্যয় নির্ধারণ করা হয় তাকে বলে- প্রমাণ ব্যয়।

সব ধরনের প্রকৃত ব্যয়কে বলে- স্পষ্ট ব্যয়।

প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ব্যয়ের দুটি উদাহরণ- সম্পত্তি কর, মেশিনের অবচয়।

দুটি বিকল্পের মোট ব্যয়ের পার্থক্যকে বলে- পার্থক্যমূলক ব্যয়।

অতীতে ব্যয় করা হয়েছে এমন ব্যয়কে বলে- নিমজ্জিত বা ডুবন্ত ব্যয়।

কোনো সিদ্ধান্তের জন্য যদি কোনো ব্যয় সংঘটিত হয় তাকে বলে- চলতি ব্যয়।

প্রতিষ্ঠানের ক্ষতির উদ্ভব হয়- অস্বাভাবিক অবস্থায়।

প্রত্যক্ষ ব্যয়কে চলতি কার্য হিসেবে- ডেবিট করা হয়।

উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ব্যয়কে বলা হয়- দ্রব্য ব্যয়।

মূলধন বাজেট হলো প্রতিষ্ঠানের- বিনিয়োগ পরিকল্পনা।

ক্রয় বিবরণী ও উদ্বৃত্তপত্র তৈরির পর তৈরি করা হয়- নগদ প্রবাহ বিবরণী।

নগদ প্রবাহ বিবরণী হচ্ছে- নগদ আন্তঃপ্রবাহ ও বহিঃপ্রবাহের হিসাব।

বাংলাদেশ স্টক একচেঞ্জে তালিকাভুক্ত পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির জন্য বাধ্যতামূলক বিবরণী হচ্ছে- নগদ প্রবাহ বিবরণী।

হিসাবের প্রধান বই হচ্ছে- নগদান বই।

অনগদ হিসাবগুলো প্রদর্শন করা হয় না- নগদান বহিতে।

অনগদ খরচ প্রণয়নে অনুসরণ করা হয়- দুই তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

নগদ আন্তঃপ্রবাহ ও নগদ বহিঃপ্রবাহ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়- চলতি আয় বিবরণীতে।

আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতের সঙ্গে নগদ প্রবাহ বিবরণী প্রস্তুত ও উপস্থাপনা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে- ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

হিসাবরক্ষণের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত হয়- মধ্যযুগে।

পরিসম্পদ- মূলধন+দায়-দায়িত্ব।

পূর্বাবস্থায় যে কোনো রূপ পরিবর্তনকেই বলা হয়- ঘটনা।

IASB অবস্থিত- যুক্তরাজ্যে।

যন্ত্রপাতি হিসেবে ক্রেডিট জের থাকা মানে বুঝায়- লিপিবদ্ধকরণে ভুল হয়েছে।

হিসাব-এর উদ্বৃত্তকরণ বলতে বোঝায়- হিসাবের ডেবিট ও ক্রেডিট যোগফলের পার্থক্য নির্ণয়।

ডেবিট ব্যালান্সের নির্দেশক হচ্ছে- ডেবিট > ক্রেডিট।

লেনদেন ও ঘটনার মধ্যে সম্পর্ক হলো- প্রতিটি লেনদেন ঘটনা কিন্তু প্রতিটি ঘটনা লেনদেন নয়।

হিসাববিজ্ঞানের তথ্য ব্যবহারকারী হলো- প্রতিযোগী, আয়কর কর্তৃপক্ষ, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রভৃতি।

নামিক হিসাবের পূর্বে প্রাপ্য, প্রদেয়, অপ্রদত্ত বা অনুপার্জিত যুক্ত হলে তাকে বলে- প্রতিনিধিত্বমূলক ব্যক্তিবাচক হিসাব।

[ বাকি অংশ প্রকাশিত হবে আগামীকাল ]

মন্তব্য করুন