উদ্ভিদবিজ্ঞান

১. DNA-কে খণ্ডিত করে- রেস্ট্রিকশন এনজাইম।

২. বর্ণহীন প্লাস্টিড- লিউকোপ্লাস্ট।

৩. 'জিনোম' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন- হ্যান্স উইঙ্কার।

৪. গমের ক্রোমোজোম সংখ্যা- ৪২।

৫. যে অঙ্গাণু প্রোটিন সংশ্নেষণ করে- রাইবোজোম।

৬. কীটপতঙ্গকে আকৃষ্ট করে পরাগায়নে সাহায্য করে- ক্রোমোপ্লাস্ট।

৭. কোষ ঝিল্লির শুস্ক ওজনের বেশিরভাগই হলো- লিপিড।

৮. মানুষের ডিপ্লয়েড কোষে- ৫-৬ পিকোগ্রাম DNA থাকে।

৯. ছত্রাকের কোষ প্রাচীর যা দিয়ে তৈরি- কাইটিন।

১০. কোষ প্রাচীরের ক্ষুদ্রতম গাঠনিক একক- মাইসিলিস।

১১. এক সূত্রক  RNA ভাইরাস-  TMV।

১২. উদ্ভিদের মূলে ভাসকুলার ব্যান্ডেল থাকে- অরীয় ধরনের।

১৩. প্রোলামিন জাতীয় প্রোটিনের উদাহরণ- ভুট্টার জেইন।

১৪. বিজ্ঞানীদের দৃষ্টিতে বনভূমির বায়োম- তিন ধরনের।

১৫. সর্পিলাকার ক্লোরোপ্লাস্ট পাওয়া যায় যে শৈবালে- স্পাইরোগাইরা।

১৬. স্পাইকলেট পুষ্পবিন্যাস দেখা যায় যে উদ্ভিদে- ধান।

প্রাণিবিজ্ঞান



১. মানবদেহে এন্টিজেন আছে- প্রায় ৪০০ রকমের।

২. ইউরিয়া সৃষ্টি হয়- যকৃতে।

৩. বায়ুথলি থেকে অক্সিজেন রক্তে প্রবেশ করে- ব্যাপন প্রক্রিয়ায়।

৪. সপ্তম করোটিক স্নায়ু- ফ্যাসিয়াল।

৫. অপ্রতিসাম্য দেখা যায়- স্পঞ্জ জাতীয় প্রাণীতে।

৬. রেচনতন্ত্র শিখা কোষ দিয়ে গঠিত যে পর্বের প্রাণীর- পল্গাটিহেলমিনথিস।

৭. হাইড্রার মেসোগিল্গয়া ঘেঁষে যে কোষটি অবস্থিত- স্নায়ু কোষ।

৮. পানিশূন্য অবস্থায় নিষ্ফ্ক্রিয় থাকে- প্রোটোপল্গাজম।

৯. মানুষের পিউপিল ছোট-বড় হয়- আলোকরশ্মির তীব্রতা অনুযায়ী।

১০. মস্তিস্কের দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশ- সেরেবেলাম।

১১. প্রথম রক্তচাপ পরিমাপ করেন- স্টিফেন হেলস।

১২. যকৃতের কলায় পাওয়া যায় না- অ্যালভিওলাই।

১৩. প্লাকয়েড আঁইশ দেখা যায় যে প্রাণীতে- হাঙ্গর।

১৪. এককোষী প্রাণী যে পর্বের অন্তর্ভুক্ত-Protozoa।

১৫. টায়ালিন যে ধরনের খাবার পরিপাকে ভূমিকা রাখে- শর্করা।

১৬. আমিষ জাতীয় খাদ্যের শোষণ নিয়ন্ত্রণ করে- থাইরক্সিন।

গ্রন্থনা : জাবেদ ইকবাল

মন্তব্য করুন