মো. বজলুর রশিদ

সহকারী অধ্যাপক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগ

ঝালকাঠি সরকারি কলেজ

ঝালকাঠি

শিক্ষার্থী বন্ধুরা, তোমাদের জন্য আজকের আলোচনার বিষয় হিসাববিজ্ঞান প্রথম পত্রের 'জাবেদা'-এর আলোকে প্রাসঙ্গিক ব্যবহারিক সমস্যা ও এর সমাধান।

কোনো সুবিধা পাওয়া যায় না তাকে বলা হয়- খরচ।

পণ্য পরিমাপের একককে বলা হয়- উৎপাদন ব্যয় একক।

যেসব উপাদান ব্যয়কে প্রভাবিত করে তাদের বলে- ব্যয় চলক।

উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রীর বিক্রয় ও বিতরণের জন্য যে ব্যয় করা হয় তাকে- বিক্রয় ও বণ্টন খরচ বলে।

উৎপাদন ব্যয় হিসাবে প্রস্তুত করা হয়- ২টি পদ্ধতিতে ক. আমেরিকান পদ্ধতি, খ. ব্রিটিশ পদ্ধতি।

যেসব শ্রমিক-কর্মচারী উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নয় তাদের বলা হয়- পরোক্ষ শ্রম।

উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হয় না- কালীন ব্যয়।

নির্দিষ্টকালের মধ্যে সংঘটিত ব্যয়কে বলে- কালীন ব্যয়।

চলতি হিসাবকালে যেসব ব্যয়ের সুবিধা ভোগ বা নিঃশেষ করা হয়েছে, সেই ব্যয়কে বলে- রাজস্ব ব্যয়। যেমন :বেতন, ভাড়া, বীমা, বিদ্যুৎ, গ্যাস বিল, পানি বিল প্রভৃতি।

যেসব ব্যয়ের সুবিধা ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে, সেই ব্যয়কে বলে- মূলধন ব্যয়। যেমন : দালানকোঠা, জমিজমা, মেশিন ক্রয়, যন্ত্রপাতি ক্রয়, গাড়ি ক্রয় প্রভৃতি।

ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞান সাধারণত ব্যবহার করে- কেবল অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপকরা।

উৎপাদন ব্যয় হিসাববিজ্ঞানের হিসাব পদ্ধতি হচ্ছে- দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

উৎপাদন ব্যয় হিসাববিজ্ঞানের নিয়ন্ত্রক- ব্যয় হিসাবরক্ষক।

ব্যবস্থাপনীয় হিসাববিজ্ঞানের নিয়ন্ত্রক- ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপক।

ÔThe Institute Cost of Works Accountants’ গঠিত হয়- ১৯১৯ সালে।

বাংলাদেশে সিএ ডিগ্রি প্রদান করে-  ICAB


আর্থিক বিবরণীকে সর্বজনগ্রাহ্য করার জন্য রচিত মান হলো- GAAP


হিসাববিজ্ঞানকে বলা হয়- ব্যবসায়ের ভাষা।

অতীতে সংঘটিত হয়েছে এরূপ ব্যয়কে বলে- প্রকৃত ব্যয়।

হিসাববিজ্ঞানের ভিত্তিপ্রস্তর হলো হিসাবরক্ষণের তত্ত্ব ও অনুশীলন এ কথা বলেছেন- এফ ডব্লিউ পিক্সল।

যন্ত্রপাতির অবচয় ধার্য করা হলো- আন্তঃলেনদেন

নগদান ভিত্তিতে হিসাবরক্ষণ বলতে বুঝায়- নগদ অর্থের আদান-প্রদান হলেই লেনদেন হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হবে।

হিসাববিজ্ঞানের মূল উপাদান হলো- লেনদেন।

হিসাবরক্ষণের মূল উপাদান হলো- লেনদেন।

লেনদেনের উৎপত্তি হলো- আর্থিক ঘটনা থেকে।

প্রতিটি লেনদেন প্রভাব ফেলে- হিসাব সমীকরণের ওপর।

হিসাববিজ্ঞানের মূল ভিত্তি- দুই তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

হিসাবরক্ষণের মূল ভিত্তি- দুই তরফা দাখিলা পদ্ধতি।

একটি আন্তঃলেনদেন, অনগদ লেনদেন, অদৃশ্যমান লেনদেন- অবচয়।

হিসাবরক্ষণের প্রধান উদ্দেশ্য- লেনদেন লিপিবদ্ধ করা।

হিসাবরক্ষণ মূলত দুই ধরনের- ক. একতরফা দাখিলা হিসাবরক্ষণ খ. দুই তরফা দাখিলা হিসাবরক্ষণ।

তুলনাযোগ্যতা হিসাববিজ্ঞানের একটি- বৈশিষ্ট্য।

হিসাববিজ্ঞান- একটি তথ্য পদ্ধতি।

IASB একটি আন্তর্জাতিক- হিসাব সংস্থা।

হিসাববিজ্ঞানের বিভিন্ন ভাবমূর্তিকে ছয়টি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন- আহমেদ বেলকেওয়াই।

ব্যবস্থাপক হিসাববিজ্ঞান- অভ্যন্তরীণ তথ্য ব্যবহারকারী।

উদ্ভাবনকালে হিসাববিজ্ঞানের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে- ইংল্যান্ডে ও আয়ারল্যান্ডে।

প্রতিটি লেনদেনের দুটি পক্ষদাতা (ডেবিট); গ্রহীতা (ক্রেডিট)

প্রতিটি হিসাব খাত দুটি ভাগে বিভক্ত হবে- বামদিকে ডেবিট ও ডানদিকে ক্রেডিট

[বাকি অংশ প্রকাশিত হবে আগামীকাল]

মন্তব্য করুন