পাঠকের কথা

প্রকাশ: ১৯ জানুয়ারি ২০১৪      

শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আবেদন

দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যাপারে যখন প্রার্থীদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয় তখন প্রার্থীদের যোগ্যতাস্বরূপ একটি জিপিএ পয়েন্ট উল্লেখ থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাটাগরি অনুযায়ী তা বিভিন্ন রকম হতে পারে। যেমন কোথাও ২৪, কোথাও ১৭, কোথাও ১৮, কোথাও ১২, আবার কোথাও এরও কম। প্রার্থীরাও এ অনুযায়ী ইন্টারনেটে দরখাস্ত দিয়ে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এসব দরখাস্ত গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর কাছে ম্যাসেজ পাঠায়। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রার্থী রেখে বাকি দরখাস্তগুলো বাতিল করে দেয়। তাদের ভাষায় যা হলো 'শর্টলিস্ট'। বিষয়টি সঠিক নয় বলে আমি মনে করি। কারণ ভর্তির বিজ্ঞাপনে যোগ্যতা উল্লেখ করার পরও শর্টলিস্টের মাধ্যমে আবেদনকারী প্রার্থীদের কেন ভর্তি পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হবে। শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ভর্তি ফরম বিক্রির মাধ্যমে টাকা আদায় করা হলো কিন্তু তাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হলো না_ এটা কি ভর্তিবাণিজ্য নয়? আমরা জানি বিশ্ববিদ্যালয় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, এটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে যা করা হচ্ছে তাকে ভর্তিবাণিজ্য ছাড়া আর কী বলা যায়? শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার মতো এখানেও যেন প্রত্যেক আবেদনকারী ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারেন সে ব্যবস্থা তিনি যেন করেন।

- মানস মুকুল চক্রবর্তী
ডেপুটি ম্যানেজার, পিএইচপি গ্রুপ, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম।


প্রিয় পাঠক,
সমস্যা, সম্ভাবনা, অভিযোগ, মতামত কিংবা পরামর্শ নিয়ে আপনার লেখাটি স্পষ্টাক্ষরে চারশ' শব্দের মধ্যে লেখার অনুরোধ রইল। খামের ওপর লিখতে হবে_ বিভাগীয় সম্পাদক, প্রিয় চট্টগ্রাম, দৈনিক সমকাল, গাউছিয়া-তোফায়েল টাওয়ার, বাদামতলী মোড়, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম। লেখা ডাকযোগে পাঠাতে পারেন কিংবা সরাসরি জমা দিতে পারবেন। এছাড়া ই-মেইল করতে পারেন ংধসধশধষপঃম১০@মসধরষ.পড়স ঠিকানায়।