দৃষ্টির ইংরেজি বিতর্কে চ্যাম্পিয়ন সিআইইও

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি বিতর্কের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে বিতর্ক সংগঠন দৃষ্টি চট্টগ্রামের আয়োজনে ও ফ্লেমিংগো টুরস অ্যান্ড ট্র্যাভেলস লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় ইংরেজি বিতর্ক প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় দেশের ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় ও ১৬টি স্কুল অংশগ্রহণ করে। ফাইনাল প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল '৫০ বছর বয়সী ব্যক্তিদের মস্তিস্ক সংরক্ষণ করার সুযোগ দেওয়া উচিত', এই বিষয় নিয়ে সংসদে তর্কযুদ্ধ শেষে ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয় (আইইউবি) চ্যাম্পিয়ন হয়। রানারআপ হয় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রতিযোগিতা শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম। দৃষ্টি চট্টগ্রামে সভাপতি মাসুদ বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন সানশাইন গ্রামার স্কুলের অধ্যক্ষ সাফিয়া গাজী রহমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগী অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান, ফ্লেমিংগো টুরস্‌ অ্যান্ড ট্র্যাভেলস এর মহাব্যবস্থাপক সাইমন মাহমুদ সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে আরেও বক্তব্য রাখেন দৃষ্টি চট্টগ্রামের সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, বনকুসুম বড়ূয়া নূপুর, সাধারণ সম্পাদক সাবের শাহ, যুগ্ম সম্পাদক সাইফুদ্দিন মুন্না, সহ-সম্পাদক অনির্বাণ বড়ূয়া, অনুষ্ঠান সমন্বয়কারী রিদোয়ান আলম আদনান ও সহ-সমন্বয়কারী ফয়সাল রহমান।

অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম বলেন, 'বিজ্ঞানের যুগে পৃথিবী যেভাবে এগ্রিয়ে যাচ্ছে প্রত্যকটি বিতার্কিক এই এগ্রিয়ে যাওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। আমরা একা একা কোনো কাজ করে কোনো দিন প্রকৃত সফল হতে পারব না। এই উপলব্ধি থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, 'আমার জনগোষ্ঠীর যে মেধা, যে সাহস প্রতিটি মানুষের জোগান একত্রে করলে পৃথিবীর এমন কোনো শক্তিধর দেশ নেই যে আমার দেশের, আমার এসব মানুষের ক্ষতি করতে পারবে।' তাই আমাদের সবার উচিত ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়া। শিক্ষাবিদ সাফিয়া গাজী রহমান বলেন, 'আমরা আসলেই প্রত্যেকেই বিতার্কিক। প্রতিনিয়ত আমরা নিজেদের মধ্যে বিতর্ক করতে থাকি। আমাদের দরকার শুধু একটু চিন্তা শক্তির প্রসার বাড়ানোর।'

ড. আদনান মান্নান বলেন, 'জীবন অনেক সুন্দর যদি আমরা জীবনকে ঐভাবে দেখতে পারি। জীবনের ব্যর্থতাগুলোকে মেনে নিতে শিখায় বিতর্ক। বিতর্ক আরও শিক্ষা দেয় কীভাবে প্রতিকূলতাকে ডিঙিয়ে যেতে হয়।'