মুক্তিপথ উন্নয়ন কেন্দ্রের পল্লী চিকিৎসক প্রশিক্ষণ

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

'মুক্তিপথ উন্নয়ন কেন্দ্রের' উদ্যোগে 'পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)' ও ইফাদের আর্থিক সহযোগিতায় সম্প্রতি ৫ দিনব্যাপী ছাগল পালনকারীদের জন্য লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডারদের (এলএসপি) কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলার ২০ জন প্রাণী চিকিৎসক প্রশিক্ষণে এতে উপস্থিত ছিলেন 'মুক্তিপথ উন্নয়ন কেন্দ্রের' প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম-এ-হোসেন, উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ওমর ফারুক ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. সুমেন চাকমা, মুক্তিপথ উন্নয়ন কেন্দ্রের হিসাবরক্ষণ অফিসার শিমুল মণ্ডল এবং ভ্যালুচেইন প্রকল্পের ভ্যালুচেইন ফ্যাসিলিটেটর রাজীব কুমার রায়।

এতে প্রশিক্ষকরা বলেন, সরকার 'ছাগল উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন' জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালনে বিপুল সাড়া পড়েছে। বেকার যুবক, যুব মহিলা, ভূমিহীন কৃষক, দুস্থ নারীরা ছাগল পালনের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে উদ্যোগী হয়েছেন। কিন্তু আধুনিক ছাগল পালন পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় তারা অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এ জন্য আজকের এই প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রফিকুল আনোয়ার, বুলবুল দত্ত, প্রশান্ত, উজ্জ্বল, ইমন, অংক্যাচিং মারমা, শফি, উষার, কামাল, মিল্টন, ঋত্বিক, বিপ্লবসহ আরও অনেকে। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনকে ধন্যবাদ জানান প্রশিক্ষণের অংশগ্রহণকারীরা। গ্রামীণ পর্যায়ে সঠিক চিকিৎসা সেবা এবং ন্যায্যমূল্যে সেবা প্রদান করতে এবং পিকেএসএফের অর্থায়নে উন্নত পদ্ধতিতে ছাগল পালন প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করবে বলে অঙ্গীকার করেন তারা। বক্তারা আরও বলেন, প্রকল্পটিতে ৩,৫০০ জন পরিবার খামারিকে আধুনিক পদ্ধতিতে ছাগল পালনের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে তারা প্রকল্পের সুফল পাচ্ছেন। ৬ জন প্রকল্প কর্মকর্তা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। হাটহাজারী ও ফটিকছড়ির মানুষ এ সেবা সমানভাবে পাচ্ছেন। চলমান প্রক্রিয়ায় মাটি ছাড়া ঘরের ভেতর হাইড্রোফনিক ফডার চাষ পদ্ধতি এ অঞ্চলে সর্ব প্রথম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তারা আরও বলেন, মাঁচা পদ্ধতির সম্প্রসারণ, বাকসার্ভিস সেন্টার, মাংস বিক্রির আউটলেট, টিকা ও কৃমিনাশক প্রদান কর্মসূচি এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। ভবিষ্যতেও তা চলমান থাকবে।