চসিক নির্বাচন

৪১ ওয়ার্ডেই ত্রিমুখী ও দ্বিমুখী লড়াই

কাউন্সিলর প্রার্থী

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০২১

আহমেদ কুতুব

৪১ ওয়ার্ডেই ত্রিমুখী ও দ্বিমুখী লড়াই

পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মোবারক আলীর জমজমাট প্রচারণা- সমকাল

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচারণা ও গণসংযোগ ততই বাড়ছে। অনেক ওয়ার্ডে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তাপও বাড়ছে। ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২০ থেকে ২৫টি ওয়ার্ডে ত্রিমুখী লড়াই হলেও বাকি ওয়ার্ডে দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। তবে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বেশি থাকায় অনেক ওয়ার্ডে সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী। তবে নির্বাচন সুষ্ঠু হলে অধিকাংশ ওয়ার্ডে বিএনপি জিতবে বলে ধারণা করছেন। আওয়ামী লীগ বলছে, তারা গতবারের মতো এবারও অধিকাংশ ওয়ার্ডে জয় পাবে।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দেওয়ানবাজার ওয়ার্ড কাউন্সির পদপ্রার্থী চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী বলেন, 'মানুষ আওয়ামী লীগের উন্নয়নকাজে খুশি। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে আওয়ামী লীগ বহুমুখী কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপি শুধু সমালোচনা থাকার আর কিছুই করতে পারছে না।'

মহানগর বিএনপির প্রচার সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, 'সুষ্ঠু নির্বাচন হলে অধিকাংশ ওয়ার্ডে বিজয়ী হবে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। মানুষ আওয়ামী লীগের অপশাসনে ক্ষুব্ধ। সুযোগ পেলে তারা ভোটের মাধ্যতে তার জবাব দেবে।'

ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চসিক নির্বাচনে ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গাজী মো. শফিউল আজিম, বিএনপির সিরাজুল ইসলাম এবং বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী তৌফিক আহমেদ চৌধুরী মাঠে থাকায় এ ওয়ার্ডে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। ২ নম্বর জালালাবাদ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. ইব্রাহিম, বিএনপির ইয়াকুব চৌধুরী ও বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শাহেদ ইকবাল বাবু নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। এখানেও হতে যাচ্ছে ত্রিমুখী লড়াই। ৩ নম্বর পাঁচলাইশ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কফিল উদ্দিন খান ও বিএনপির মো. ইলিয়াছসহ এ ওয়ার্ডে নয়জন প্রার্থী থাকলেও লড়াই দ্বিমুখী হবে বলে জানিয়েছে ভোটাররা।

৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইফুদ্দিন খালেদ সাইফুর, বিএনপির মাহবুবুল আলম, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী এসএম হুমায়ুন কবির, এসরারুল হক, জামাল উদ্দিন, জাহেদ গিয়াস উদ্দিন আহমেদ প্রার্থী হয়েছেন। ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের ৬ জন প্রার্থী থাকায় নিজেদের মধ্যে ভোট কাটাকাটিতে বিশেষ সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে সাবেক কাউন্সিলর বিএনপির মাহবুবুল আলম। ৫ নম্বর মোহরা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কাজী নুরুল আমিনের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াই হবে বর্তমান কাউন্সিলর বিএনপির মো. আজমের সঙ্গে। এখানে আরও সাতজন প্রার্থী থাকলেও মাঠে শক্ত অবস্থান রয়েছে এ দুই প্রার্থীর। ৬ নম্বর পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আশরাফুল আলম ও বিএনপির হাসান লিটন মাত্র দুজন প্রার্থী রয়েছে এ ওয়ার্ডে। তাই লড়াই হবে মুখোমুখী। ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোবারক আলী, বিএনপির ইস্কান্দার মির্জা। এখানে আরও চারজন প্রার্থী থাকলেও মূলত লড়াইয় হবে এ দুজনের মধ্যে।

৮ নম্বর শুলকবহর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোরশেদ আলমের সঙ্গে লড়াই আছে বিএনপির হাসান চৌধুরী। এখানে আরও তিনজন প্রার্থী থাকলেও মূল লড়াইয়ে আছেন এরা। ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুল আবছার মিয়া, বিএনপির আবদুস সাত্তার সেলিম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জহুরুল আলম জসিমের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হতে যাচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগের শক্ত দুই প্রার্থী থাকায় বিএনপির প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলর সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নিছার উদ্দিন আহমেদ ও বিএনপির রফিক উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে মুখোমুখি লড়াই হলেও ভালো অবস্থানে রয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র নিছার। ১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. ইসমাইল, বিএনপির সোহরাব হোসেন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর মোরশেদ আক্তার চৌধুরীর সঙ্গে ত্রিমুখী লড়াই হবে।

১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুল আমিন, বিএনপির সামসুল আলম ও বিদ্রোহী প্রার্থী ছাবের আহমদ সওদাগরের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে বলে ধারণা করছেন ভোটাররা। ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী ও বিএনপির জাহাঙ্গীর আলম দুলালসহ মোট পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও এখানে ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরীর দাপটে অন্য সকল প্রার্থী কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। ১৪ নম্বর লালখানবাজার ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল হাসনাত বেলাল, বিএনপির আবদুল হালিম ও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলর আবুল ফজল কবির আহমদের সঙ্গে ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে। ১৫ নম্বর বাগমনিরাম ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন ও বিএনপির চৌধুরী সায়েফুদ্দিন চৌধুরী সিদ্দিকীর মধ্যে লড়াই হবে। ১৬ নম্বর চকবাজার ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু ও বিএনপির একেএম সালাহ উদ্দিন কাউসার ও বিদ্রোহী শাহদুল আজম শাকিলের মধ্যে লড়াই হবে। তবে ভোটের মাঠে একাধিকবার নির্বাচিত কাউন্সিলর মিন্টু এগিয়ে আছেন বলে জানা গেছে।

১৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শহিদুল আলম, বিএনপির একেএম আরিফুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদ করিম টিটুর মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে। ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হারুন অর রশিদ ও বিএনপির আজিজুল হক মাসুমের সঙ্গে ভোটযুদ্ধ হতে যাচ্ছে। ১৯ নম্বর দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নুরুল আলম ও তার বড় ভাই বিএনপির প্রার্থী ইয়াসিন চৌধুরী আছুর মধ্যেই মূলত মুখোমুখি লড়াই হবে বলে জানিয়েছেন ভোটাররা। ২০ নম্বর দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, বিএনপির লিয়াকত আলী, বিদ্রোহী প্রার্থী হাফিজুল ইসলাম মজুমদার ও রফিকুল আলম বাপ্পী মাঠে থাকায় ভোটের সমীকরণ উলটপালট হয়ে যেতে পারে। ২১ নম্বর জামালখান ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন, বিএনপির আবু মো. মহসিন চৌধুরীসহ আরও চারজন প্রার্থী থাকলেও এখানে মূল লড়াই হবে দুই প্রার্থীর মধ্যে। ২২ নম্বর এনায়েত বাজার ওয়ার্ডেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী সলিম উলল্গাহ ও বিএনপির আব্দুল মালেকের সঙ্গে দ্বিমুখী লড়াই হবে।

২৩ নম্বর উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ এবং বিএনপির মো. মহসিনসহ আরও চারজন প্রার্থী থাকলেও মাঠে আছেন এ দুই প্রার্থী। ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নাজমুল হক ডিউক, বিএনপির ফরিদুল আলম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলর জাবেদ নজরুল ইসলাম মাঠে থাকায় পাল্টে যেতে পারে ভোটের হিসাব। ২৫ নম্বর রামপুর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস সবুর লিটন, বিএনপির শহীদ মো. চৌধুরী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী এসএম এরশাদ উলল্গাহ মাঠে নামেন। তবে শেষ মুহূর্তে এরশাদ উল্লাহ পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ঘোষণা করেছেন তিনি লিটনের পক্ষে ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তাই এখানে লিটন ও শহীদের লড়াই দেখার অপেক্ষায় করছে মানুষ। ২৬ নম্বর উত্তর হালিশহর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোহাম্মদ হোসেন, বিএনপির আবুল হাশেমসহ আরও ছয়জন প্রার্থী থাকলেও দ্বিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কারণ হোসেন এলাকায় ভাল মানুষ হিসেবে পরিচিত।

২৭ নম্বর দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী, বিএনপির মো. সেকান্দর ও আওযামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর এইচএম সোহেল মাঠে থাকায় ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার আভাস পাওয়া গেছে। ২৮ নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাহাদুর, বিএনপির জামাল উদ্দিন জসিম ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল কাদের ওরফে মাছ কাদের মাঠে থাকায় লড়াই কঠিন হয়ে পড়েছিল প্রার্থীদের জন্য। কিন্তু একটি হত্যা মামলায় কাদের কারাগারে যাওয়ায় অন্য প্রার্থীরা সুবিধা পাবেন বলে মনে করছে ভোটাররা। ২৯ নম্বর পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, বিএনপির সালাহ উদ্দিন ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন ভোটের মাঠে রয়েছেন। সাজ্জাদ জোবায়েরের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন। ৩০ নম্বর পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতাউলল্গাহ চৌধুরী, বিএনপির হাবিবুর রহমানের সঙ্গে মাঠে আছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী চৌধুরী জহির উদ্দিন মো. বাবর। এখানে ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার আভাস পাওয়া গেছে। ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুস সালাম ও বিএনপির দিদারুর রহমান লাভুর সঙ্গেই ভোটের লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। কারণ বর্তমান কাউন্সিলর আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হলেও তারেক সোলায়মান সেলিম অসুস্থ হওয়ায় ভোটের মাঠে সক্রিয় নেই।

৩২ নম্বর আন্দরকিলল্গা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জহরলাল হাজারী, বিএনপির নুর মোহাম্মদ লেদুর মধ্যেই প্রতিন্দ্বীতা হবে। ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গিবাজার ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. সালাহ উদ্দীন, বিএনপির মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপল্গবের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হবে। ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পুলক খাস্তগীর, বিএনপির মোহাম্মদ ইসমাইল বালী ও অনুপ বিশ্বাসের মধ্যে ত্রিমুখী লড়াই হতে পারে বলে জানা গেছে। ৩৫ নম্বর বপিরহাট ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাজী নুরুল হকের সঙ্গে লড়াইয়ে আছেন বিএনপির এডভোকেট তারিক আহমেদ। ৩৬ নম্বর গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও বিএনপি মো. হারুনের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন অপর দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মোরশেদ আলী ও সাইফুল আলম চৌধুরী। ৩৭ নম্বর উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, বিএনপির মো. ওসমান ছাড়াও বর্তমান কাউন্সিলর জামাত নেতা শফিউল আলম ভোটের মাঠে রয়েছেন। ৩৮ নম্বর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম মো. চৌধুরী, বিএনপির হানিফ সওদাগরসহ আরো পাঁচজন প্রার্থী থাকলেও ভোটের ময়দানে এগিয়ে আছেন গোলাম ও হানিফ। ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিয়াউল হক সুমন ও বিএনপির সরফরাজ কাদেরের সঙ্গেই মুলত ভোটযুদ্ধ হতে যাচ্ছে। ৪০ নম্বর উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল বারেক, বিএনপির মোহাম্মদ হারুন ছাড়াও আরো দুই প্রার্থী থাকায় ভোটের লড়াই কঠিন হয়ে পড়েছে সকলের জন্য। ৪১ নম্বর দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছালেহ আহমদ চৌধুরী, বিএনপির নুরুল আবছারের মধ্যে মুল লড়াই হলেও আরো ছয়জন প্রার্থী থাকায় ভোটের হিসাব উল্টপাল্ট করে দিতে পারেন তারা।