টেবিলে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে ২৯ প্রকারের মৌসুমি শীতপিঠা। শিশুদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে এসব পিঠার সঙ্গে। শিশুরাও অচেনা এসব পিঠা দেখে ও খেয়ে খুশিতে মাতোয়ারা। সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা সেদিন পিঠা উৎসবে মেতে উঠেছিল অন্যরকম আনন্দে।

চট্টগ্রাম শেখ রাসেল শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সুবিধাবঞ্চিত ২০০ শিশু নিয়ে ব্যতিক্রমী এ শীতপিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। উৎসবের মধ্য ছিল পিঠাপুলি উৎসব, শিশু বরণ, ডিসপ্লে প্রদর্শন, শিক্ষাসহায়ক উপকরণ বিতরণ, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও পুরস্কার বিতরণ। মুজিববর্ষ উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ রুহুল আমীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা মুজাহিদুল ইসলাম।

কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আকতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর, ইউএনওর সহধর্মিণী ফারজানা শারমিন মৌসুমি ও সমাজসেবা কর্মকর্তার সহধর্মিণী সারজিনা নূর প্রমুখ।

ঐতিহ্যবাহী বাহারি স্বাদের পিঠার মধ্যে ছিল ভাপা পিঠা, আতিক্কা পিঠা, গুরা পিঠা, বিন্নী চালের পাটিসাপটা পিঠা, ঝোল ভাপা পিঠা, কালাই রুটি, পাকন পিঠা, সিধল ভর্তা- চিতই পিঠা, গোলাপ শেপি পিঠা, বিস্কুট শেপি পিঠা, সুজির রস বডা পিঠা, সুজির ফ্রাইজাম পিঠা, নকশি পিঠা, সিরিঞ্জ পিঠা, ফুলঝুরি পিঠা, চুঁই পিঠা, ডিম পেস্ট্রি পিঠা, পানতোয়াম পিঠা, পোয়া পিঠা, দুধ-পুলি পিঠা, ঝাল-পুলি পিঠা, ফ্লাওয়ার সমুচা পিঠা, মোমো পিঠা, দুধ-চিতই পিঠা, লবঙ্গ লতিকা পিঠা, ঝিনুক পিঠা, সিল্ক্ক ক্যারামেল পুডিং, বাহারি শেপের চিপস পিঠা, ফিশ ফিঙ্গার পিঠা ইত্যাদি।

মন্তব্য করুন