লকডাউন সফল করতে জেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান। এ প্রসঙ্গে তিনি সমকালকে বলেন, 'করোনার এমন ভয়াবহতার মধ্যেও জেলা প্রশাসনের সবাই মানুষের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা, সচেতনতা বৃদ্ধি, বিনামূল্যে মাস্ক ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণসহ যাবতীয় কাজ করে যাচ্ছেন। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সবাই যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে যাচ্ছেন। নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এরই মধ্যে জেলা প্রশাসনের বেশ কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তারপরও আমরা মনোবল হারাইনি। কাউকে এতে ভেঙেও পড়তে দিইনি। দিনের পাশাপাশি মধ্যরাতেও অনেকের ঘরে ঘরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছি।' তিনি আরও বলেন, 'অনেক মধ্যবিত্ত আছেন যারা সম্মানের কথা পৃষ্ঠা ২ :কলাম ১

চিন্তা করে দিনের বেলায় ত্রাণ সামগ্রী নিতে আসতে পারেন না। লজ্জার কারণে কারও কাছ থেকে হাতও পাততে পারেন না। জেলা প্রশাসকের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে, ৩৩৩ নম্বরে, হেল্পলাইনে কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সহায়তা চেয়ে কেউ যোগাযোগ করলেই তার বাসায় ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উপহার সামগ্রীর প্যাকেট পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এ পর্যন্ত্ম প্রায় ১৩ হাজার মানুষকে ত্রাণের আওতায় আনা হয়েছে। এখনও আমাদের কাছে যথেষ্ট সামগ্রী মজুদ আছে। একজন গরিব ও খেটে খাওয়া মানুষকে যাতে একবেলাও না খেয়ে থাকতে না হয় সেজন্য এ কার্যক্রম চলমান থাকবে।' তিনি আরও বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর যুযোপযোগী উদ্যোগ ও প্রশাসনের নিরলস পরিশ্রমের সুফল চট্টগ্রামের মানুষ এরইমধ্যে পেতে শুরল্ফম্ন করেছেন। লকডাউনের সুফলের কারণে সংক্রমণের হার অনেক কমেছে। শহরের যেসব এলাকায় একসাথে অনেক লোকের সমাগম হচ্ছে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি সচেতনতা বাড়াতে মাইকিংও করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক মানার ওপর বারবার তাগাদা দিচ্ছি। আমরা চাই মানুষ নিজ থেকেই সচেতন হোক; অন্যকেও সচেতন করল্ফম্নক। মানুষের সচেতন হওয়ার উপরই নির্ভর করছে সরকারের সকল উদ্যোগ সফল হওয়া ও আমাদের পরিশ্রম সার্থক হওয়ার বিষয়টি। সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে আমরা করোনাকে জয় করতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি আমরা।'

মন্তব্য করুন