চিটাগং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বলেন, 'করোনাকালে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে আমরা 'সিমস' নামের একটি সফটওয়্যার চালু করেছি। এর ফলে শিক্ষার্থীরা খুব দ্রুত শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খুব সহজে তাদের পড়ালেখার খুঁটিনাটি জানার সুযোগ পেয়েছে। রুটিন ধরে আগের নিয়মে ক্লাস হয়েছে অনলাইনে।' তিনি আরও বলেন, 'সিমস ছাড়াও আমরা গুগল, জুমসহ বিভিন্ন লিংক ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনলাইন কার্যক্রম সচল রেখেছি। এ ক্ষেত্রে আমাদের তেমন কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি। শিক্ষার্থীরা আনন্দ নিয়েই ক্লাস কার্যক্রমে অংশ নিয়েছে।'

চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য আগে বিদেশে পাড়ি জমাতে হতো নয়তো ঢাকায় যেতে হতো। কিন্তু এখন সিআইইউতে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা দেওয়া হয় বলে মন্তব্য করেন উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, 'আন্তর্জাতিকমানের উচ্চশিক্ষা, গুণগতমান, যুগোপযোগী সিলেবাসের কারণে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠেছে সিআইইউ। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চট্টগ্রামে একমাত্র আমরাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাতের মানদণ্ড পূরণ করেছি। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছি আমরা। দক্ষ লোকবল নিয়োগ ও সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে উচ্চশিক্ষার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছি আমরা।'

উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী বলেন, 'আমাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে আগামী দুই বছর পর এখানে বদলে যাবে শিক্ষার পুরোনো চেহারা। ইতোমধ্যে সিআইইউ চট্টগ্রামে মডেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাজারো তথ্য নিয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার ও আমেরিকান কর্নার। এসব সিআইইউ'র অনন্য অর্জন।' 'গবেষণা কার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সেন্টার রয়েছে। বিভিন্ন অনুষদের গবেষণাকাজে সহায়তা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃথক তহবিলও রয়েছে। এখন একধাপ এগিয়ে চট্টগ্রামের এই বিশ্ববিদ্যালয়।'- যোগ করেন উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী।

মন্তব্য করুন