ফাইভজি প্রযুক্তিতে নিরাপত্তা ত্রুটি!

প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক ফাইভজির অপেক্ষায় আছে টেলিযোগাযোগ খাত। ইতিমধ্যে শীর্ষ নেটওয়ার্ক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ফাইভজি প্রযুক্তি পরীক্ষামূলক ব্যবহার করেছে। স্মার্টফোন নির্মাতারাও পঞ্চম প্রজন্মের নেটওয়ার্ক সমর্থিত ডিভাইস চলতি বছরই বাজারজাত করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। আশা করা হচ্ছে চলতি বছরই কাঙ্ক্ষিত ফাইভজি প্রযুক্তির স্বাদ নিতে পারবে গ্রাহকরা। তবে নতুন একটি গবেষণা বলছে, ফাইভজি প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে! গবেষক দলটি ফাইভজি প্রযুক্তিতে নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছেন। এটিকে বলা হচ্ছে অথেনটিকেশন অ্যান্ড কি-অ্যাগ্রিমেন্ট বা একেএ। জার্মানির বার্লিনের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি, ইটিএইচ জুরিখ এবং সিনটেফ ডিজিটাল নরওয়ের এ গবেষক দলটি জানিয়েছে, ফাইভজি হতে পারে হ্যাকারদের জন্য পোয়াবারো!

কেননা ফাইভজি প্রযুক্তিতে এ ত্রুটি থাকায় স্মার্ট ডিভাইস ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সহজেই হাতিয়ে নিতে পারবে হ্যাকাররা। এই নিরাপত্তা দুর্বলতার কারণে ফাইভজি এয়ারওয়েভস বা তরঙ্গ থেকে হ্যাকাররা ব্যবহারকারীর কল এবং পাঠানো মেসেজ সম্পর্কিত তথ্য হাতিয়ে নিতে পারবে। বর্তমান বিশ্বে দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ তারবিহীন নেটওয়ার্ক সেবা ব্যবহার করে। ফলে বৃহত্তর এ জনগোষ্ঠীর টেলিযোগাযোগ সেবায় নিরাপত্তা প্রদান খুব জরুরি। বিশেষ করে ফাইভজি প্রযুক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও ইন্টারনেটবান্ধব করে তুলবে। এজন্য ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ডিভাইস নির্মাণে গুরুত্ব দিচ্ছে প্রযুক্তি জায়ান্ট কোম্পানিগুলো। আর হ্যাকাররা ঠিক এখানেই সুযোগটা নিতে চাইবে। ফলে ফাইভজির ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে মনে করছেন ওই গবেষকরা। তবে গবেষক দলটি বলছে, নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ায় চলতি বছর ফাইভজি চালু হওয়ার আগেই সেটি সমাধান করা সম্ভব হবে।