৬ জুলাই আইএসপিএবি নির্বাচন

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০১৯

হাসান জাকির

দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির কার্যকরী কমিটির ২০১৯-২১ মেয়াদের নির্বাচন আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে সাধারণ এবং সহযোগী দুই ক্যাটাগরিতে ১৩টি পদের বিপরীতে ৩২ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। আগামী শনিবার রাজধানীতে ৪৪১ জন ভোটার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট দিতে পারবেন।

আইএসপিএবি সূত্র জানিয়েছে, সাধারণ ক্যাটাগরিতে দুটি প্যানেলে ৯ পদের বিপরীতে ১৭ জন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া সহযোগী ক্যাটাগরিতে ৪ পদের বিপরীতে তিনটি প্যানেলে ১২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাধারণ ক্যটাগরিতে ভোটার ১১২ জন হলেও সহযোগী ক্যাটাগরিতে ভোটার ৩২৯ জন।

মূলত ইন্টারনেট সেবাদাতাদের এ সংগঠন তৈরির দীর্ঘদিন পর প্রথমবারের মতো সংশোধিত গঠনতন্ত্রে বর্ধিত পরিসরে নির্বাচন হচ্ছে। এর আগে আইএসপিএবির নির্বাহী কমিটিতে শুধু সাধারণ ক্যাটাগরিতেই ৭টি পদ ছিল। তবে বর্তমান নির্বাহী কমিটি গঠনতন্ত্র সংশোধন করে সহযোগী ক্যাটাগরি যুক্ত করার পাশাপাশি এক্সিকিউটিভ কমিটিতে ১৩ সদস্যে উন্নীত করে। এর মধ্যে ৯ জন থাকবে সাধারণ ক্যাটাগরি এবং ৮ জন সহযোগী ক্যাটাগরিতে।

৬ জুলাই নির্বাচনের পর নির্বাচিত প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে পদবণ্টন নির্বাচনে অংশ নেবেন। এখানে সহযোগী থেকে তিনজন পরিচালক এবং একজন সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হবেন। বাকি সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষসহ অন্যান্য নির্বাহী পদে সাধারণ ক্যাটাগরি থেকে বিজয়ীরা নির্বাচিত হবেন। সংশ্নিষ্টরা বলছেন, এবারের নির্বাচনে মূলত দুটি প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এর মধ্যে বর্তমান সভাপতি আমিনুল হাকিম ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হকের নেতৃত্বে টিম ইউনাইটেড সাধারণ ক্যাটাগরির ৯টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। অন্যদিকে সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকের নেতৃত্বে

টিম ক্যাটালিস্টের সাধারণ ক্যাটাগরিতে ৮টি পদে লড়ছে। নির্বাচন সম্পর্কে আমিনুল হাকিম বলেন, আইএসপিএবি খাতকে ডিজিটাল বাংলাদেশের সঙ্গে এগিয়ে নিতে আমরা বিগত সময়ের ধারাবাহিকতায় কাজ করে যাব। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটকে সারাদেশে পৌঁছে দিতে সরকারের সঙ্গে আমরা কাজ করছি। এটি অব্যাহত থাকবে। আমরা পুরো টিমসহ জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। টিম ইউনাইটেডের প্রার্থী বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হকও মনে করেন, তারা সদস্যবান্ধব হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে পেরেছেন। আশা করছি উৎসবমুখর ভোটে শেষ হাসি আমরাই হাসব। তবে আমরা নির্বাচিত হলে সবাইকে নিয়েই কাজ করব। কেননা সবাই একসঙ্গে কাজ করলেই এ খাত এগিয়ে যাবে। সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক বলেন, ভোটারদের আস্থা অর্জনে আমরা সব ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আশা করছি ভোটাররা পরিবর্তন চাইবেন। উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। নির্বাচনের পর ২০ জুলাইয়ের মধ্যে নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরপর্ব অনুষ্ঠিত হবে।