যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতি

রাখাইনে এখনও নির্যাতন চালাচ্ছে সেনাবাহিনী

প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০১৯

সমকাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র সরকার বলেছে, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জবাবদিহি ও তাদের ওপর বেসামরিক কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় রাখাইনে এখনও সেনারা নির্যাতন চালাচ্ছে। পাশাপাশি কচিন ও শান রাজ্যসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানেও বিরাজ করছে একই অবস্থা। যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং স্বেচ্ছায় তাদের প্রত্যাবাসনের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাবে। এ কাজে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

গতকাল শনিবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মর্গান অর্তেগাসের এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, রোহিঙ্গারা যাতে স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদার সঙ্গে এবং স্থায়িত্বের  সঙ্গে নিজ দেশে ফিরতে পারে সে ধরনের পরিবেশ তৈরিতে মিয়ানমারকে উৎসাহিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

বিবৃতিতে বলা হয়, দশ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাদের জন্য চিন্তিত যুক্তরাষ্ট্র। মিয়ানমারে গণতন্ত্র ও সমৃদ্ধির  জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি। এটা প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে সবাইকে।

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই বছর আগে উত্তর  রাখাইনে নিরস্ত্র নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর 'বর্বর হামলায়' বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা। এটা ছিল 'জাতিগত নিধন'।

বিবৃতিতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের মহানুভবতার প্রশংসা করে বলা হয়, এ সংকটে মানবিক সহায়তায় নেতৃত্ব দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৭ সালের আগস্টের পর থেকে দেশটি একাই ৫৪ কোটি ২০ লাখ ডলার সাহায্য দিয়েছে। অন্যদেরও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।