আকর্ষণের কেন্দ্রে সাকিব ভিলিয়ার্স

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০১৭      

ক্রীড়া প্রতিবেদক


খেলার ধরন তাদের ভিন্ন, আলাদা তাদের ভূমিকাও। তার পরও সাকিব আল হাসান আর এবি ডি ভিলিয়ার্স মিলে যাচ্ছেন এক বিন্দুতে। টানা খেলার ধকল সামলাতে দু'জনই বিশ্রামে ছিলেন টেস্ট সিরিজে। বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকার চলমান লড়াইয়ে উভয়েই যোগ দিচ্ছেন আজ প্রথম ওয়ানডের মধ্য দিয়ে।
ফরমেট ভিন্ন হওয়ার কারণে এ দু'জনের সঙ্গে ফিরছেন অবশ্য আরও কয়েকজন। ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে ফিরছেন জেপি ডুমিনি। আর বাংলাদেশ দলে মাশরাফি ফিরছেন অধিনায়ক হয়ে। টেস্ট সিরিজের একাদশ থেকে একাধিক পরিবর্তন থাকলেও মূল পার্থক্যটা ওই সাকিব-ভিলিয়ার্সেই। বিশেষ করে বাংলাদেশ দলে সাকিবের ফেরা। পচেফস্ট্রুম আর ব্লুমফন্টেইন টেস্টে তার অভাব অনুভূত হয়েছে ভীষণভাবে। আইসিসির্ যাংকিংয়ের এক নম্বরে থাকা এই অলরাউন্ডারকে না পেয়ে ব্যাটিং আর বোলিংয়ে বাড়তি খেলোয়াড় নিতে হয়েছে মুশফিকুর রহিমের দলকে। সাকিব ফেরায় আবারও 'একের মধ্যে দুই' ক্রিকেটারের সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। তিন ওয়ানডের এই সিরিজে দারুণ এক মাইলফলকের সামনেও দাঁড়িয়ে আছেন সাকিব। এ পর্যন্ত খেলা ১৭৭ ওয়ানডেতে সাকিবের উইকেট ২২৪টি, আর রান সংখ্যা ৪ হাজার ৯৮৩। মাত্র ১৭ রান করলেই সাকিব ঢুকে যাবেন ২০০ উইকেট ও পাঁচ হাজার রানের অভিজাত ক্লাবে। গড়বেন দ্রুততমর রেকর্ডও। এ মুহূর্তে একদিনের ক্রিকেট ইতিহাসে ২০০ উইকেট ও পাঁচ হাজার রানের কীর্তি আছে কেবল চারজনের- শ্রীলংকার সনাথ জয়সুরিয়া (৪৪৫ ম্যাচে ১৩,৪৩০ রান ও ৩২৩ উইকেট), দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস (৩২৮ ম্যাচে ১১,৫৭৯ রান ও ২৭৯ উইকেট), পাকিস্তানের শহিদ আফ্রিদি (৩৯৮ ম্যাচে ৮০৬৪ রান ও ৩৯৫ উইকেট) ও আফ্রিদির স্বদেশি আবদুর রাজ্জাক (২৬৫ ম্যাচে ৫০৮০ রান ও ২৬৯ উইকেট)। প্রস্তুতি ম্যাচে ৬৮ রানের ইনিংস খেলে সাকিব আছেন রানের মধ্যে। একই প্রস্তুতিতে ৪৩ রান করেছেন ডি ভিলিয়ার্স। দু'জনের ফেরার ম্যাচে শেষ হাসি কার, জানা যাবে ম্যাচ শেষের পর।