সংবাদ সম্মেলন দেরি হওয়াতেই রক্ষা

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০১৯      

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রতিবারের তুলনায় এবার নিউজিল্যান্ড সফরে খুব কম সাংবাদিকই গেছেন। নিউজ চ্যানেল থেকে চারজন, পত্রিকা থেকে দু'জন আর ক্রিকইনফো এবং বিসিবি ফটোগ্রাফারসহ মোট সাতজন এবারের সফরে টাইগারদের অনুসরণ করছেন। তাদেরও কারও কারও জুমার নামাজ আদায় করার কথা ছিল এই নূর মসজিদে। ক্রাইস্টচার্চের তৃতীয় টেস্টের আগে নিয়মিত প্রেস কনফারেন্স শেষ করেই তাদের ওই মসজিদে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন রিয়াদকে একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় সাংবাদিকদের। মুশফিকের ফেরা, আগের দুই টেস্টের ব্যাটিং ব্যর্থতা, পেস অ্যাটাক নিয়ে দুর্বলতাসহ টেস্টের একাদশ কেমন হবে, তা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছিল রিয়াদকে। সেটা দিতে গিয়েই বেঁধে দেওয়া সময়ের চেয়ে পাঁচ মিনিট বেশি হয়ে যায় ওই সংবাদ সম্মেলনটি শেষ করতে। দুপুর ১.৩০-এর জায়গায় ওই প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হয় দুপুর ১.৩৫ মিনিটে। আর তাতেই যে রক্ষা পেয়ে যায় অনেকগুলো প্রাণ। এরপর দুর্ঘটনার খবর শুনে ক্রিকেটাররা ড্রেসিংরুমে ফিরে এলেও প্রেসবক্সে আটকা পড়ে যান সাত বাংলাদেশি সাংবাদিক। নিরাপত্তারক্ষীরা স্টেডিয়ামের আশপাশে যান ও মানুষ চলাচল বন্ধ করে দেয়। হ্যাগলি ওভালের প্রেসবক্স থেকেই ঢাকায় বিসিবির কর্মকর্তাদের ফোন করে ওখান থেকে ফিরে যাওয়ার জন্য সাহায্য চান সাংবাদিকরা। পরে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের সহায়তায় স্থানীয় পুলিশের নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে তাদের টিম হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ৯টা পর্যন্ত ক্রাইস্টচার্চের ওই নভোটেল হোটেলেই বাংলাদেশি সাংবাদিকরা অবস্থান করছিলেন। পরে ওখান থেকে তাদের হোটেলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।