বায়ার্ন মিউনিখের 'থ্রি আর'- আরজেন রোবেন, ফ্রাঙ্ক রিবেরি আর রাফিনহা। পর্যায়ক্রমে দশ, বারো ও আট বছর বাভারিয়ানদের জার্সি গায়ে মাঠ মাতিয়েছেন। অবশেষে গত শনিবার শিরোপা উৎসব করেই বিদায় নিলেন।

বায়ার্নের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলতে নামবেন তারা, আগেই জানা ছিল। কেবল আনুষ্ঠানিক বিদায় জানানো বাকি। তাতে ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষে সমর্থকদের প্রস্তুতিও চোখে পড়ার মতো। রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন আর প্ল্যাকার্ডে ছেয়ে যায় পুরো অ্যালিয়েঞ্জ অ্যারেনা।

শেষটা দারুণ হয়েছে। বুন্দেসলিগার ট্রফি জেতার পাশাপাশি গোলও পেয়েছেন দুই আর- রোবেন-রিবেরি। সতীর্থরাও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। কেউ কেউ তাদের জড়িয়ে কেঁদেছেন মনের অজান্তে। কারও কণ্ঠে আবেগী সুর। বায়ার্নের হয়ে ২০১৮-১৯ মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতা রবার্ত লেভানডস্কি বলেন, 'আমি আবেগ ধরে রাখতে পারিনি। যখন দেখলাম ম্যাচের আগে তাদের পরিবারের চোখে পানি। দর্শকদের মধ্যেও একটা অন্য ছায়া। তখন ম্যাচটা জেতার জন্য আরও বেশি সাহস পাই। আমরা তাদের জন্য জিততে চেয়েছি। একটা সময় আমি নিজেও কান্না ধরে রাখতে পারিনি।'

২০০৯ সালে বায়ার্নে যোগ দেন রোবেন। দীর্ঘ একটা সময় বাভারিয়ানদের হয়ে আলো ছড়িয়েছেন। জিতেছেন কুড়িটি শিরোপা। যার মধ্যে রয়েছে একটি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ও আটটি বুন্দেসলিগা। এতদিনের একটা সম্পর্ক ছেড়ে যেতে কার মন চায়। তবু এটাই নিয়ম, আজ না হোক কাল তো বিদায় বলতেই হবে। তাই তো যাওয়ার বেলায় রোবেনের আবেগী বার্তা, 'এমন ম্যাচে নামার আগে সত্যিই অনেক বেশি আবেগী ছিলাম। আসলে দিনটা আমার কাছে প্রতিদিনের মতো ছিল না। সেজন্য পুরো শরীরে কেমন যেন একটা ভিন্ন অনুভূতি ছিল।'

এদিকে ২০০৭ সাল থেকে বায়ার্নের আক্রমণভাগে নৈপুণ্য দেখানো রিবেরিও শেষ সময়ে এসে আবেগ হারিয়ে ফেলেন। জার্মান জায়ান্টদের হয়ে ২৩টি শিরোপা জিতেছেন এই  ফরাসি উইঙ্গার।

মন্তব্য করুন