রুটের প্রেরণায় শেষ দুই ম্যাচ

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০১৯

স্পোর্টস ডেস্ক

ইংল্যান্ডের জন্য উপলক্ষটা বিশেষ, ২৭ বছর পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল খেলবে তারা। তবে প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া আগেভাগেই তাদের সঙ্গে মানসিক খেলা শুরু করে দিয়েছে। অফস্পিনার নাথান লায়ন বলেছেন, বিশ্বকাপে কিছু বিসর্জন দেওয়ার থাকলে ইংল্যান্ডেরই আছে, কারণ ওয়ানডের শীর্ষ দল ওরা। রোববার বলা লায়নের মন্তব্যটিকে অস্ট্রেলীয়দের সাধারণ প্রবণতা বলে উড়িয়ে দিতে চাইলেন জো রুট।

কিন্তু বছরের পর বছর ধরে ক্রিকেট থেকে বিশ্ব শিরোপা না জেতার যে আক্ষেপ, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটা দৃষ্টান্ত তৈরির যে প্রয়োজনীয়তা, সেই ভাবনা থেকে বেরোতে পারলেন কই? ইংল্যান্ডের তিন নম্বর ব্যাটসম্যান তাই প্রতিশ্রুতি দিলেন সেমি জয়ের, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার মতো মুহূর্ত এনে দেওয়ার।

লীগ পর্বের শেষ দুটি ম্যাচ জিতে শেষ চার নিশ্চিত করা ইংল্যান্ড এখন দুটি নকআউট ম্যাচ জয়ের স্বপ্নে বিভোর। ইয়ন মরগানের দলটিকে উজ্জীবিত করতে যেসব স্মৃতিকে সামনে আনা হচ্ছে, তার অন্যতম ২০০৫ সালের অ্যাশেজ জয়। গোটা ইংল্যান্ডজুড়ে তখন অ্যাশেজ নিয়ে তুমুল মাতামাতি ছিল। ফরমেট ভিন্ন হলেও টিম স্পিরিট আর দলীয় সাফল্যের বিষয়টিকে ফোকাস করে অ্যাশেজ প্রসঙ্গ টেনে আনা হচ্ছে বারবার। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেমির লড়াইয়ে নামার আগে রুটও বললেন সে কথাই, 'আমার এখনও ২০০৫ অ্যাশেজের কথা মনে পড়ে। তখন ১৪ বছরের বালক ছিলাম। দারুণ একটা সময় ছিল। এবার আমাদের সামনেও একই ধরনের সুযোগ। সামনের প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার জন্য, ক্রিকেট খেলায় মানুষের আগ্রহ বাড়ানোর জন্য এটি দারুণ ব্যাপার হবে।' ঘরের মাটিতে ফেভারিট হিসেবে টুর্নামেন্ট শুরু করার পর প্রথম দিকে ছন্দেই ছিলেন রুটরা। তবে পরের দিকে টানা দুই ম্যাচ হেরে বিপদে পড়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড। শেষ পর্যন্ত ভারত ও নিউজিল্যান্ডকে টানা দুই ম্যাচে আবশ্যকীয়ভাবে হারিয়ে তবে সেমিতে জায়গা হয়েছে। ওই দুটি ম্যাচ জয়ের তীব্রতা সেমির জন্য ভালো হয়েছে বলে মনে করেন ৯ ইনিংসে ৫০০ রান করা এ ব্যাটসম্যান, 'শেষ দুটি ম্যাচে জেতা ছাড়া উপায় ছিল না। নকআউট মনোভাব নিয়েই খেলতে হয়েছে। এবারও যদি ওই দুই ম্যাচের মতো খেলতে পারি, তাহলে আমাদের হারানো কঠিন।'