দুই অধিনায়কের এক সুর

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০১৯      

ক্রীড়া প্রতিবেদক

সুপার ওভারে টাই হলে যে বাউন্ডারিতে জয়ী নির্ধারণ করা হবে, এ তথ্য আগে জানতেন না ইয়ন মরগান, জেনেছেন সুপার ওভার শুরুর আগমুহূর্তে। ২০০৮ সালে টিটোয়েন্টিতে প্রথম কার্যকর আর ২০১১ থেকে বিশ্বকাপে প্রচলন হওয়ার পর কখনই এমন কিছুর দরকার পড়েনি। এখন বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বিষয়টি সামনে চলে আসায় চারদিকে চলছে নিয়মটির কড়া সমালোচনা। কেন চার-ছক্কার বাউন্ডারি দিয়ে জয়ী নির্ধারণ করতে হবে- এ প্রশ্ন অবশ্য ভুক্তভোগী কেন উইলিয়ামসন তুলছেন না। নিয়ম যা আছে, তা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক। মরগানের গলায়ও একই সুর, আইন যেহেতু অনেক আগে থেকে আছে, এ নিয়ে তাই বিতর্কের অবকাশ দেখেন না তিনি। কিন্তু শিরোপা নির্ধারণের লড়াই সুপার ওভারে গড়ানোর আগেও ঘটেছে আরেক বিতর্কিত ঘটনা। শেষ ওভারের চতুর্থ বলে মার্টিন গাপটিলের থ্রো বেন স্টোকসের ব্যাটে লেগে বাউন্ডারি হয়ে গেলে মোট ছয় রান দিয়েছিলেন আম্পায়ার। অথচ নিয়মানুযায়ী ওই সময়ই দুই ব্যাটসম্যানের দৌড়ে দুই রান সম্পন্ন না হওয়ায় পাঁচ রানই হওয়ার কথা। আর ৫ রান হওয়া মানে পঞ্চাশ ওভারি খেলাতেই এক রানে জিতে যায় নিউজিল্যান্ড।

আম্পায়ারদের এই ভুল সিদ্ধান্তকে কীভাবে দেখছেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক? তার কি মনে হচ্ছে না, এখানেই ম্যাচটি তাদের হাত ফসকে গেছে?

উইলিয়ামসন প্রশ্নকারীর সঙ্গে একমত হলেন না, 'পুরো ম্যাচে এরকম ছোটখাটো আরও অনেক কিছু ঘটেছে, যেটার কারণে ম্যাচ একবার ওদের দিকে একবার আমাদের দিকে হেলে পড়েছে। আমি এটিকে ফল চূড়ান্তকরণে প্রধান প্রভাবক মনে করি না।' অপ্রত্যাশিতভাবে এক রান বেশি পেয়ে যিনি সুবিধা পেয়েছেন, সেই মরগানের ভাবনাও একই, 'ওই সময় প্রথমে আমি বুঝতেই পারিনি কী ঘটেছে। স্টোকস ডাইভ দিয়েছিল, ধুলো উড়ছিল। কিউই ক্রিকেটাররা 'কী হচ্ছে' ভেবে দাঁড়িয়ে দেখছিল। আসলে ব্যাপারটা এমনভাবে ঘটে গেছে যে, এটিকে আপনি ম্যাচ নির্ধারক বলতে পারেন না। ব্যাপারটা আমাদের প্রতিকূলেও তো যেতে পারত।'